বাংলাদেশ ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

শিরোনাম: ইরানের তেল খাতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা, উত্তেজনা আরও বাড়ল হরমুজ প্রণালি ঘিরে

ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

রমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের তেল শিল্পে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দেয়। এতে পেট্রোলিয়াম পরিবহন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেইন শামখানির নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত দুই ডজনেরও বেশি ব্যক্তি, কোম্পানি ও জাহাজের ওপর নতুন করে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইকোনমিক ফিউরি’ বা অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির কৌশলের অংশ হিসেবে শামখানি পরিবারের মতো শাসকগোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠদের লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তার দাবি, তারা ইরানের সাধারণ জনগণের ক্ষতির বিনিময়ে লাভবান হচ্ছে।

এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ইরান যখন হরমুজ প্রণালিকে ‘জিম্মি’ করার চেষ্টা করছে, তখন দেশটির রাজস্ব আয়ের সক্ষমতা কমাতেই এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

নতুন তালিকায় সৈয়দ নাইমাই বদরুদ্দিন মুসাভি নামের এক ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মার্কিন অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর অর্থদাতা হিসেবে কাজ করছেন।

উল্লেখ্য, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালিতে কার্যত অবরোধ তৈরি করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

শিরোনাম: ইরানের তেল খাতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা, উত্তেজনা আরও বাড়ল হরমুজ প্রণালি ঘিরে

প্রকাশিত: ০৪:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

রমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের তেল শিল্পে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দেয়। এতে পেট্রোলিয়াম পরিবহন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেইন শামখানির নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত দুই ডজনেরও বেশি ব্যক্তি, কোম্পানি ও জাহাজের ওপর নতুন করে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইকোনমিক ফিউরি’ বা অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির কৌশলের অংশ হিসেবে শামখানি পরিবারের মতো শাসকগোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠদের লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তার দাবি, তারা ইরানের সাধারণ জনগণের ক্ষতির বিনিময়ে লাভবান হচ্ছে।

এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ইরান যখন হরমুজ প্রণালিকে ‘জিম্মি’ করার চেষ্টা করছে, তখন দেশটির রাজস্ব আয়ের সক্ষমতা কমাতেই এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

নতুন তালিকায় সৈয়দ নাইমাই বদরুদ্দিন মুসাভি নামের এক ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মার্কিন অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর অর্থদাতা হিসেবে কাজ করছেন।

উল্লেখ্য, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালিতে কার্যত অবরোধ তৈরি করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে।

kalprakash.com/SS