ক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে; ইসরায়েলও এতে যোগ দেবে। পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা রাখবে। যদিও যুদ্ধ আবার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আছে, আপাতত পরিস্থিতি প্রশমনের দিকে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা দেখাচ্ছেন তিনটি সম্ভাব্য দৃশ্যপট:
১. দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধবিরতি: আরব দেশগুলো বিমান প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করবে, লজিস্টিক ব্যবস্থা বৈচিত্র্যময় করবে এবং হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব মোকাবিলার জন্য খরচ বহন করবে।
২. পুনরায় সংঘাত বৃদ্ধি: ব্যাপক বোমাবর্ষণ বা স্থল অভিযান সম্ভাব্য, কিন্তু ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা যুদ্ধকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।
৩. নিম্নমাত্রার সংঘর্ষ (সবচেয়ে সম্ভাব্য): মাঝেমধ্যেই হামলা ও পাল্টা হামলার ধারাবাহিকতা, তবে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় বৈশ্বিক প্রভাব সীমিত থাকবে।
বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চল অস্থিতিশীল, কিন্তু পারস্য উপসাগরের সরবরাহ যদি সচল থাকে, তা বৈশ্বিক বাজারে বড় ধাক্কা সৃষ্টি করবে না।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























