বাংলাদেশ ১১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় জবি শিক্ষকের ওপর হামলা, আসামি কারাগারে Logo গাইবান্ধায় ছেলেকে নিয়োগ দিতে মাদ্রাসা সুপারের জালিয়াতির অভিযোগ Logo পিরোজপুরে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্টে এক জনের কারাদণ্ড Logo লাশের পরিবর্তে লাশ: আমার বাবার মরদেহের পরিচয় পর্যন্ত কেড়ে নিয়েছিল ঘাতকরা Logo পিরোজপুরে সদর উপজেলা স্কাউটসের ৫ দিনব্যাপী মহা তাবু জলসা সম্পন্ন Logo নওগাঁয় পুলিশের অভিযানে টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক ১ Logo ছোট্ট মেহেরাবের চিকিৎসায় এগিয়ে এলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক Logo পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি কেলেঙ্কারিতে আটক ১ Logo বড় ব্যবধানে জয়ী রুবেল, শেরপুর-৩ এ বিএনপির হাসি Logo বাগেরহাটে বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: চুক্তি মানা না হলে আরও ভয়াবহ ও শক্তিশালী হামলা হবে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আসল যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সব জাহাজ, যুদ্ধবিমান ও সামরিক সদস্য ইরানের আশেপাশে অবস্থান বজায় রাখবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বুধবার (৮ এপ্রিল) তিনি লিখেছেন, “যতক্ষণ চুক্তি সম্পূর্ণরূপে মেনে চলা হচ্ছে না, ততক্ষণ সমস্ত মার্কিন জাহাজ, বিমান এবং সামরিক কর্মী অতিরিক্ত গোলাবারুদ ও অস্ত্রশস্ত্রসহ ইরানের অভ্যন্তরে ও আশেপাশে থাকবে।”

ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “যদি কোনো কারণে চুক্তি না মানা হয়—যেমনটা হওয়ার সম্ভাবনা কম—তাহলে গোলাবর্ষণ শুরু হবে। আরও বড়, আরও ভয়াবহ এবং আরও শক্তিশালী হবে, যা আগে কেউ কখনো দেখেনি।”

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইসরাইল ইতিমধ্যে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ জোরদার করে যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের শর্ত দিয়ে চুক্তি অবমাননা করছে। তিনি বলেন, “এমন পরিস্থিতিতে দ্বিপক্ষীয় যুদ্ধবিরতি বা আলোচনা চালানো অযৌক্তিক।”

গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। হিজবুল্লাহ এই যুদ্ধবিরতি মেনে চললেও ইসরাইল লেবাননে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দফতর জানিয়েছে, ইরানে মার্কি হামলা বাতিলের সিদ্ধান্ত সমর্থন করলেও লেবাননের ওপর তা প্রযোজ্য হবে না।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে রাজি হয়েছে এবং মজুত করা ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের ইঙ্গিত দিয়েছে। তিনি লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে মিলে মাটির গভীরে থাকা সব পরমাণু উপাদান খনন করে সরিয়ে ফেলবে।” তবে গালিবাফ এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন, বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে যাওয়ার অধিকার রাখে।

লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলার কারণে যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, এবং শান্তি আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব দেখা দিয়েছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স ও আল জাজিরা।

 

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় জবি শিক্ষকের ওপর হামলা, আসামি কারাগারে

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: চুক্তি মানা না হলে আরও ভয়াবহ ও শক্তিশালী হামলা হবে

প্রকাশিত: ০১:০৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আসল যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সব জাহাজ, যুদ্ধবিমান ও সামরিক সদস্য ইরানের আশেপাশে অবস্থান বজায় রাখবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বুধবার (৮ এপ্রিল) তিনি লিখেছেন, “যতক্ষণ চুক্তি সম্পূর্ণরূপে মেনে চলা হচ্ছে না, ততক্ষণ সমস্ত মার্কিন জাহাজ, বিমান এবং সামরিক কর্মী অতিরিক্ত গোলাবারুদ ও অস্ত্রশস্ত্রসহ ইরানের অভ্যন্তরে ও আশেপাশে থাকবে।”

ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “যদি কোনো কারণে চুক্তি না মানা হয়—যেমনটা হওয়ার সম্ভাবনা কম—তাহলে গোলাবর্ষণ শুরু হবে। আরও বড়, আরও ভয়াবহ এবং আরও শক্তিশালী হবে, যা আগে কেউ কখনো দেখেনি।”

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইসরাইল ইতিমধ্যে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ জোরদার করে যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের শর্ত দিয়ে চুক্তি অবমাননা করছে। তিনি বলেন, “এমন পরিস্থিতিতে দ্বিপক্ষীয় যুদ্ধবিরতি বা আলোচনা চালানো অযৌক্তিক।”

গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। হিজবুল্লাহ এই যুদ্ধবিরতি মেনে চললেও ইসরাইল লেবাননে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দফতর জানিয়েছে, ইরানে মার্কি হামলা বাতিলের সিদ্ধান্ত সমর্থন করলেও লেবাননের ওপর তা প্রযোজ্য হবে না।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে রাজি হয়েছে এবং মজুত করা ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের ইঙ্গিত দিয়েছে। তিনি লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে মিলে মাটির গভীরে থাকা সব পরমাণু উপাদান খনন করে সরিয়ে ফেলবে।” তবে গালিবাফ এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন, বলেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে যাওয়ার অধিকার রাখে।

লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলার কারণে যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, এবং শান্তি আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব দেখা দিয়েছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স ও আল জাজিরা।

 

kalprakash.com/SS