নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে নারীসহ চারজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযুক্ত আব্দুস সামাদ শিরন্টি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে। তার বাড়ি কুচিন্দা গ্রামে।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে সাপাহার উপজেলার সীমান্তবর্তী ঘরিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাদী হয়ে মোজাম্মেল হক, আব্দুস সামাদ, সাদিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ও ফাতেমা খাতুনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে পত্নীতলা থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, পত্নীতলা থানার দিবর মৌজার একটি বিরোধপূর্ণ জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অভিযুক্তরা বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। বিকেলে গৃহবধূ মর্জিনা আক্তার বিষয়টি দেখতে পেয়ে বাধা দিলে মোজাম্মেল হক ও আব্দুস সামাদের নেতৃত্বে কয়েকজন লাঠি, লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলায় মর্জিনা আক্তার শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হন। খবর পেয়ে স্বজনরা এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে বাদী মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, তার বাবা, চাচিসহ আরও কয়েকজন আহত হন। এ ছাড়া নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া, হত্যাচেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মর্জিনা আক্তার দাবি করেন, তারা নিজেদের জমিতে অবৈধভাবে বাড়ি নির্মাণের প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।
অপর ভুক্তভোগী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি তার মা ও চাচিকে উদ্ধার করতে গেলে তার ওপরও হামলা চালানো হয়। এ সময় তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়ামুল হক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
kalprakash.com/IM
নওগাঁ প্রতিনিধি 





















