শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ | ১৩ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১৫ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | ভোর ৫:১৯:৪০

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কী কী কাজ হবে, জানালেন পানিসম্পদমন্ত্রী

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫১
শেয়ার: mail
তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কী কী কাজ হবে, জানালেন পানিসম্পদমন্ত্রী

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা নদীকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত তিস্তা মহাপরিকল্পনার আওতায় ১১০ কিলোমিটার নদীশাসন, ১১০ কিলোমিটার ড্রেজিং, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণসহ বড় ধরনের অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এসব তথ্য জানান। রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে তিস্তা নদী নিবিড়ভাবে জড়িত। তবে উজানে বিভিন্ন স্থাপনা ও পানিপ্রবাহ সীমাবদ্ধতার কারণে শুষ্ক মৌসুমে নদীতে পানির পরিমাণ কমে যায়। এতে তিস্তা সেচ প্রকল্পসহ কৃষি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে বর্ষাকালে অতিবৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়।

তিনি জানান, তিস্তা অববাহিকার রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাট জেলায় নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণে ২০২৪–২৫ এবং ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ২২২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪২ দশমিক ১৭ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও জানান, তিস্তা নদীকেন্দ্রিক টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরির জন্য একটি সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে তিস্তা মহাপরিকল্পনার আওতায় ১১০ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বাঁধের ওপর সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ৬৭টি গ্রোয়েন ও স্পার নির্মাণ বা সংস্কার এবং ১৭০ বর্গকিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটির কারিগরি ও আর্থিক বিষয়গুলো বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ বাড়বে, সেচ সুবিধা সম্প্রসারিত হবে এবং কৃষি উৎপাদনে গতি আসবে।

সমীক্ষা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে নদীতীরবর্তী এলাকায় সড়ক, সেতু ও বাঁধ অবকাঠামোর উন্নয়ন হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য কমানো, নৌ যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬ | Globe kalprakash.com

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কী কী কাজ হবে, জানালেন পানিসম্পদমন্ত্রী

বিস্তারিত কমেন্টে