সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। নিম্নমানের বা পচা খাবার বিতরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় মামলা ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শনিবার (১৬ মে) মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের ১৩ মে জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পচা বনরুটি, নষ্ট ডিম, ছোট ও পচা কলা বিতরণের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে এবং কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
এ কারণে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সরবরাহকৃত খাবারের মান ও পরিমাণ যাচাই করে গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী খাবার গ্রহণ ও বিতরণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, খাবার সংরক্ষণ ও মান যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বনরুটি তাজা, নরম ও সঠিকভাবে মোড়কজাত থাকতে হবে এবং প্যাকেটে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখসহ নেট ওজন (১২০ গ্রাম) উল্লেখ থাকতে হবে।
ডিম ফাটা, দুর্গন্ধযুক্ত বা পিচ্ছিল হলে তা গ্রহণ করা যাবে না। কলা হতে হবে দাগ ও পোকামুক্ত; অতিরিক্ত পাকা বা পচা কলা বিতরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়া ইউএইচটি মিল্ক ও ফর্টিফায়েড বিস্কুটের প্যাকেজিং, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং নেট ওজন যথাযথভাবে যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিম্নমানের বা ত্রুটিপূর্ণ খাবার গ্রহণ করা যাবে না। কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
kalprakash.com/SS
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচিতে কঠোর নজরদারি, নিম্নমানের খাবারে ব্যবস্থা