আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় মোট ২৭টি কোরবানির পশুর হাট বসবে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ১১টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১৬টি হাটে পশু কেনা-বেচা চলবে বলে জানা গেছে।
দুই সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, এসব হাটের ইজারাদার নির্ধারণে ইতোমধ্যে দরপত্র ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
ডিএসসিসি এলাকায় ১১টি হাট
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় এবার ১১টি অস্থায়ী পশুর হাট বসবে। তবে সারুলিয়া স্থায়ী পশুর হাটে এবার কোরবানির পশু বিক্রি হবে না, কারণ স্থানটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণে রয়েছে।
ডিএসসিসির অস্থায়ী হাটগুলোর মধ্যে রয়েছে—পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের পশ্চিম পাশের নদীর পাড়, উত্তর শাহজাহানপুর মৈত্রী সংঘ ক্লাব সংলগ্ন এলাকা, রহমতগঞ্জ ক্লাবের খালি জায়গা, আমুলিয়া মডেল টাউন, শ্যামপুর-কদমতলী ট্রাকস্ট্যান্ড, আফতাব নগর এলাকা, শিকদার মেডিকেল সংলগ্ন জায়গা, কাজলা ব্রিজ থেকে মাতুয়াইল পর্যন্ত রাস্তার অংশ, দয়াগঞ্জ-জুরাইন রেলক্রসিং এলাকা, বনশ্রী সংলগ্ন মোস্তমাঝি মোড়, ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের পাশের এলাকা এবং গোলাপবাগ আউটার স্টাফ কোয়ার্টার।
ডিএনসিসি এলাকায় ১৬টি হাট
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে গাবতলী স্থায়ী হাটের পাশাপাশি ১৫টি অস্থায়ী হাট বসবে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—মিরপুর সেকশন-৬, কালশী বালুর মাঠ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন এলাকা, মেরুল বাড্ডা, পূর্ব হাজীপাড়া, বছিলা, উত্তরা দিয়াবাড়ি, রানাভোলা, কাঁচকুড়া বাজার, মস্তুল চেকপোস্ট, সুতিভোলা খাল এলাকা, বনরূপা আবাসিক প্রকল্প, মহাখালী টিএন্ডটি মাঠ, বাড্ডা এলাকা এবং বড় বেরাইদসহ বিভিন্ন স্থান।
হাট ব্যবস্থাপনা ও প্রস্তুতি
দুই সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, ঘোষিত ঈদের দিনসহ মোট পাঁচ দিন এসব হাটে পশু কেনা-বেচা চলবে। তবে প্রতিবছরের মতো এবারও নির্ধারিত সময়ের আগেই কিছু হাটে বেচাকেনা শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এছাড়া পশু পরিবহণ, যানজট নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি সরবরাহ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অনলাইন ডেস্ক 

























