জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যকার সংঘর্ষের ঘটনার মীমাংসায় আয়োজিত জরুরি বৈঠকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েও শেষ মুহূর্তে প্রবেশ করতে দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দপ্তরের কনফারেন্স রুমে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে গণমাধ্যমগুলোর কাছে লিখিত চিঠি পাঠিয়ে সংবাদ ও চিত্রগ্রহণের জন্য রিপোর্টার ও ক্যামেরাপার্সন পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছিল। চিঠিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, পুরান ঢাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ৪ আগস্টের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নিয়ে মতবিনিময়ের কথা উল্লেখ করা হয়।
তবে শনিবার সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহে গেলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় বৈঠকটি তাঁদের জন্য উন্মুক্ত নয়। আমন্ত্রণ জানানোর পরও সংবাদকর্মীদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের এই দ্বিমুখী আচরণকে পেশাগত কাজের প্রতি চরম অসম্মান এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহে বাধা বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আনোয়ারুস সালাম জানান, বিষয়টি মূলত একটি ‘ভুল বোঝাবুঝি’ ছিল। বৈঠকটি ক্লোজড ডোর বা রুদ্ধদ্বার হওয়ায় সাংবাদিকদের প্রবেশের সুযোগ রাখা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’-এর অনুষ্ঠান চলাকালে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনের বাইরে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটে।
kalprakash.com/IM