বাংলাদেশ ০৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ইসরায়েলকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ক্যানসার’ আখ্যা দিলেন খামেনি Logo ঈদকে ঘিরে কোনো সুনির্দিষ্ট নাশকতার হুমকি নেই: র‍্যাব ডিজি Logo ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করা এনপিটি-বিরোধী: রুশ প্রতিনিধি উলিয়ানভ Logo সৈয়দপুর ফেয়ার পার্কে আজ শুরু হচ্ছে গ্রামীণ ও কুটির শিল্প মেলা-২০২৬ Logo হঠাৎ পিছিয়ে গেল পূজা চেরীর ‘নাকফুলের কাব্য’ সিনেমা Logo বিয়ের ১০ বছর পর যমজ সন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠী Logo ২৭০ কোটি টাকার নটিং হিল সম্পত্তি ঘিরে বিতর্কে সোনম কাপুর Logo ‘ডন ৩’ থেকে সরে দাঁড়ানোয় বিতর্ক: রণবীর সিংকে নিষিদ্ধ ঘোষণা FWICE-এর Logo বিরাট কোহলির সঙ্গে তর্কের পর ট্রাভিস হেডের স্ত্রীর ওপর অনলাইন আক্রমণ Logo স্পেনের বিশ্বকাপ দলে নেই রিয়াল মাদ্রিদের কোনো ফুটবলার

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক যেসব পানীয়

সংগৃহীত ছবি

বর্তমান সময়ে স্তন, কোলন, প্রস্টেট, ফুসফুস ও অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমাতে সাহায্য করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ঘরে তৈরি কিছু স্বাস্থ্যকর পানীয় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মাচা গ্রিন টি

মাচা গ্রিন টিতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পলিফেনল ও অ্যামাইনো অ্যাসিড। এগুলো শরীরের কোষ সুরক্ষায় সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

যেভাবে তৈরি করবেন:
এক কাপ ফুটন্ত পানিতে সামান্য ব্রাউন সুগার মেশান। অন্য একটি কাপে মাচা চায়ের গুঁড়া ও অল্প গরম পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর দুটি মিশ্রণ একসঙ্গে কম আঁচে নাড়তে থাকুন। চাইলে দুধও যোগ করা যেতে পারে।

সবুজ স্মুদি

পালং শাক, শসা ও কলার তৈরি সবুজ স্মুদিতে থাকে ফাইবার, ভিটামিন এ, সি, ই, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও আয়রন। এটি শরীরকে সতেজ রাখার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

যেভাবে তৈরি করবেন:
পালং শাক ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এরপর কলা ও শসা টুকরো করে কেটে সামান্য আদা কুচির সঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন। পরিবেশনের আগে ওপরে সামান্য গোলমরিচের গুঁড়া ছড়িয়ে নিতে পারেন।

হলুদ দুধ

হলুদের কারকিউমিন উপাদান শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক বলে পরিচিত। গোলমরিচের পিপারিন উপাদান কারকিউমিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে।

যেভাবে তৈরি করবেন:
দুধের সঙ্গে এক চামচ হলুদ গুঁড়া, কয়েকটি গোলমরিচ ও সামান্য দারচিনি ফুটিয়ে নিন। গরুর দুধের পরিবর্তে আমন্ড বা ওটসের দুধও ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব পানীয় স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, ধূমপান এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ক্যানসার’ আখ্যা দিলেন খামেনি

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক যেসব পানীয়

প্রকাশিত: ০৩:২৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

বর্তমান সময়ে স্তন, কোলন, প্রস্টেট, ফুসফুস ও অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমাতে সাহায্য করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ঘরে তৈরি কিছু স্বাস্থ্যকর পানীয় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মাচা গ্রিন টি

মাচা গ্রিন টিতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পলিফেনল ও অ্যামাইনো অ্যাসিড। এগুলো শরীরের কোষ সুরক্ষায় সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

যেভাবে তৈরি করবেন:
এক কাপ ফুটন্ত পানিতে সামান্য ব্রাউন সুগার মেশান। অন্য একটি কাপে মাচা চায়ের গুঁড়া ও অল্প গরম পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর দুটি মিশ্রণ একসঙ্গে কম আঁচে নাড়তে থাকুন। চাইলে দুধও যোগ করা যেতে পারে।

সবুজ স্মুদি

পালং শাক, শসা ও কলার তৈরি সবুজ স্মুদিতে থাকে ফাইবার, ভিটামিন এ, সি, ই, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও আয়রন। এটি শরীরকে সতেজ রাখার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

যেভাবে তৈরি করবেন:
পালং শাক ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এরপর কলা ও শসা টুকরো করে কেটে সামান্য আদা কুচির সঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন। পরিবেশনের আগে ওপরে সামান্য গোলমরিচের গুঁড়া ছড়িয়ে নিতে পারেন।

হলুদ দুধ

হলুদের কারকিউমিন উপাদান শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক বলে পরিচিত। গোলমরিচের পিপারিন উপাদান কারকিউমিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে।

যেভাবে তৈরি করবেন:
দুধের সঙ্গে এক চামচ হলুদ গুঁড়া, কয়েকটি গোলমরিচ ও সামান্য দারচিনি ফুটিয়ে নিন। গরুর দুধের পরিবর্তে আমন্ড বা ওটসের দুধও ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব পানীয় স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, ধূমপান এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

kalprakash.com/SS