বাংলাদেশ ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে দেশের বৃহত্তম নগর বনায়ন শুরু করলো ডিএনসিসি

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পরিবেশ রক্ষা ও বায়ুদূষণ কমাতে ‘মিয়াওয়াকি’ পদ্ধতিতে বৃহৎ নগর বনায়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।

সোমবার (১৮ মে) বিকেলে উত্তরা দিয়াবাড়ীর ১১ নম্বর লেকপাড়ের গ্রিনবেল্ট এলাকায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নগর জীবনে গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। এই বনায়ন প্রকল্পকে ডিএনসিসি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি নগরবাসীর শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে প্রায় ২.৬০ একর জমিতে ৩৯ হাজার ৪০০টি গাছ রোপণ করা হবে। এতে ফলজ, ঔষধি ও কাঠজাতসহ প্রায় ২৫০ প্রজাতির দেশীয় গাছ থাকবে। এর আগে প্রথম ধাপে ১৪ হাজার গাছ রোপণ করা হয়েছে।

এই বনায়নে জাপানি মিয়াওয়াকি পদ্ধতির পাশাপাশি বায়োফিলিক ও বায়োমিমিক্রি ডিজাইন অনুসরণ করা হয়েছে। লেকপাড় ঘেঁষে হাঁটার পথ, উঁচু-নিচু টিলা এবং ঘন সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে দর্শনার্থীরা ‘শিনরিন ইয়োকু’ বা বন স্নানের অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।

প্রকল্পে বন অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা যুক্ত রয়েছে। এছাড়া কারিগরি সহায়তা ও বায়ুমান বিশ্লেষণে বিশেষজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে।

ডিএনসিসি জানায়, সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা আগামী পাঁচ বছরে ৫ লাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে প্রথম বছরে ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে ৫০ হাজার গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের মাধ্যমে নগরের বায়ুমান উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সবুজ নগর অবকাঠামো গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য বলে জানায় ডিএনসিসি।

kalprakash.com/SS
জনপ্রিয় সংবাদ

মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে দেশের বৃহত্তম নগর বনায়ন শুরু করলো ডিএনসিসি

প্রকাশিত: ০১:৪১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

রাজধানীর পরিবেশ রক্ষা ও বায়ুদূষণ কমাতে ‘মিয়াওয়াকি’ পদ্ধতিতে বৃহৎ নগর বনায়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।

সোমবার (১৮ মে) বিকেলে উত্তরা দিয়াবাড়ীর ১১ নম্বর লেকপাড়ের গ্রিনবেল্ট এলাকায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নগর জীবনে গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। এই বনায়ন প্রকল্পকে ডিএনসিসি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি নগরবাসীর শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে প্রায় ২.৬০ একর জমিতে ৩৯ হাজার ৪০০টি গাছ রোপণ করা হবে। এতে ফলজ, ঔষধি ও কাঠজাতসহ প্রায় ২৫০ প্রজাতির দেশীয় গাছ থাকবে। এর আগে প্রথম ধাপে ১৪ হাজার গাছ রোপণ করা হয়েছে।

এই বনায়নে জাপানি মিয়াওয়াকি পদ্ধতির পাশাপাশি বায়োফিলিক ও বায়োমিমিক্রি ডিজাইন অনুসরণ করা হয়েছে। লেকপাড় ঘেঁষে হাঁটার পথ, উঁচু-নিচু টিলা এবং ঘন সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে দর্শনার্থীরা ‘শিনরিন ইয়োকু’ বা বন স্নানের অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।

প্রকল্পে বন অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা যুক্ত রয়েছে। এছাড়া কারিগরি সহায়তা ও বায়ুমান বিশ্লেষণে বিশেষজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে।

ডিএনসিসি জানায়, সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা আগামী পাঁচ বছরে ৫ লাখ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে প্রথম বছরে ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে ৫০ হাজার গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের মাধ্যমে নগরের বায়ুমান উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সবুজ নগর অবকাঠামো গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য বলে জানায় ডিএনসিসি।

kalprakash.com/SS