বাংলাদেশ ১২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo হঠাৎ লাইভে এসে যা জানালেন মেয়র প্রার্থী ভিপি শাহীন! Logo নাটোরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গণপিটুনি, পুলিশে সোপর্দ Logo চাটমোহরের মথুরাপুরে আশিকের মৃত্যু মামলায় ষড়যন্ত্রমুলক ফাঁসানো ও টাকা দাবির অভিযোগ Logo পাবনায় রিয়া হত্যা মামলার ৩ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার: গুম করার কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার জব্দ Logo শেষ মুহূর্তের গোলে নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ Logo ইরানের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান আমিরাতের Logo অর্থনৈতিক সংস্কারে নতুন সহায়তা চেয়ে আইএমএফের দ্বারস্থ বাংলাদেশ Logo মমতা ব্যানার্জীর দল তৃণমূল কংগ্রেস কি ভাঙনের দিকে এগোচ্ছে? Logo অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে দেখা করলেন সাগর-রুনির সন্তান মেঘ

ফ্যাটি লিভার: লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধের উপায়

সংগৃহীত ছবি

বিশ্বজুড়ে দ্রুত বাড়ছে ‘ফ্যাটি লিভার’ বা লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার সমস্যা, যা অনেক সময় কোনো স্পষ্ট লক্ষণ ছাড়াই শরীরে দেখা দেয়। নীরবে অগ্রসর হওয়ায় একে ‘নীরব রোগ’ বা ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়। সময়মতো নিয়ন্ত্রণ না করলে এটি লিভারের প্রদাহ, সিরোসিসসহ মারাত্মক জটিলতায় রূপ নিতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, লিভারের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমে গেলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়। এটি প্রধানত দুই ধরনের—অ্যালকোহলজনিত এবং নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার। স্থূলতা, ডায়াবেটিস, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এর অন্যতম প্রধান কারণ।

রোগটির প্রাথমিক লক্ষণগুলো অনেক সময় সাধারণ ক্লান্তি বা হজমজনিত সমস্যার মতো মনে হয়। এর মধ্যে রয়েছে সারাক্ষণ অবসাদ বোধ করা, ডান পেটের ওপরের দিকে অস্বস্তি, অস্বাভাবিকভাবে পেটের চর্বি বাড়া এবং মনোযোগ কমে যাওয়া। কিছু ক্ষেত্রে ঘাড় বা শরীরের নির্দিষ্ট অংশে ত্বক কালচে হয়ে যাওয়াও দেখা যেতে পারে।

রোগটি অগ্রসর হলে জন্ডিস, শরীর ফোলা, পেটে পানি জমা এবং বমি বমি ভাবের মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ফ্যাটি লিভারের প্রধান কারণ হিসেবে ধরা হয় অতিরিক্ত চিনি ও শর্করাজাতীয় খাবার গ্রহণ, শরীরচর্চার অভাব, অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং মদ্যপানকে।

রোগ নির্ণয়ে সাধারণত রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসাউন্ড এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফাইব্রোস্ক্যান করা হয়।

চিকিৎসকদের মতে, ফ্যাটি লিভারের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই, তবে জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ ও অনেক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। শরীরের ৫ থেকে ১০ শতাংশ ওজন কমানো, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, মদ্যপান পরিহার এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, লিভার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ, তাই ক্লান্তি বা হালকা উপসর্গকেও অবহেলা না করে সময়মতো সচেতন হওয়া জরুরি।

kalprakash.com/SS
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
ফ্যাটি লিভার: লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধের উপায়
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি

ফ্যাটি লিভার: লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধের উপায়

প্রকাশিত: ০৫:৫৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

বিশ্বজুড়ে দ্রুত বাড়ছে ‘ফ্যাটি লিভার’ বা লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার সমস্যা, যা অনেক সময় কোনো স্পষ্ট লক্ষণ ছাড়াই শরীরে দেখা দেয়। নীরবে অগ্রসর হওয়ায় একে ‘নীরব রোগ’ বা ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়। সময়মতো নিয়ন্ত্রণ না করলে এটি লিভারের প্রদাহ, সিরোসিসসহ মারাত্মক জটিলতায় রূপ নিতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, লিভারের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমে গেলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়। এটি প্রধানত দুই ধরনের—অ্যালকোহলজনিত এবং নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার। স্থূলতা, ডায়াবেটিস, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এর অন্যতম প্রধান কারণ।

রোগটির প্রাথমিক লক্ষণগুলো অনেক সময় সাধারণ ক্লান্তি বা হজমজনিত সমস্যার মতো মনে হয়। এর মধ্যে রয়েছে সারাক্ষণ অবসাদ বোধ করা, ডান পেটের ওপরের দিকে অস্বস্তি, অস্বাভাবিকভাবে পেটের চর্বি বাড়া এবং মনোযোগ কমে যাওয়া। কিছু ক্ষেত্রে ঘাড় বা শরীরের নির্দিষ্ট অংশে ত্বক কালচে হয়ে যাওয়াও দেখা যেতে পারে।

রোগটি অগ্রসর হলে জন্ডিস, শরীর ফোলা, পেটে পানি জমা এবং বমি বমি ভাবের মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ফ্যাটি লিভারের প্রধান কারণ হিসেবে ধরা হয় অতিরিক্ত চিনি ও শর্করাজাতীয় খাবার গ্রহণ, শরীরচর্চার অভাব, অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং মদ্যপানকে।

রোগ নির্ণয়ে সাধারণত রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসাউন্ড এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফাইব্রোস্ক্যান করা হয়।

চিকিৎসকদের মতে, ফ্যাটি লিভারের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই, তবে জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ ও অনেক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। শরীরের ৫ থেকে ১০ শতাংশ ওজন কমানো, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, মদ্যপান পরিহার এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, লিভার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ, তাই ক্লান্তি বা হালকা উপসর্গকেও অবহেলা না করে সময়মতো সচেতন হওয়া জরুরি।

kalprakash.com/SS
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
ফ্যাটি লিভার: লক্ষণ, কারণ ও প্রতিরোধের উপায়