বাংলাদেশ ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo পাবনায় রিয়া হত্যা মামলার ৩ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার: গুম করার কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার জব্দ Logo শেষ মুহূর্তের গোলে নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ Logo ইরানের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান আমিরাতের Logo অর্থনৈতিক সংস্কারে নতুন সহায়তা চেয়ে আইএমএফের দ্বারস্থ বাংলাদেশ Logo মমতা ব্যানার্জীর দল তৃণমূল কংগ্রেস কি ভাঙনের দিকে এগোচ্ছে? Logo অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে দেখা করলেন সাগর-রুনির সন্তান মেঘ Logo গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে কত বাড়ল বিদ্যুতের দাম? Logo যুগ্মসচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত Logo নড়বড়ে কাঠের সাঁকোই ভরসা, দুর্ভোগে চরাঞ্চলের ২০ হাজার মানুষ Logo খানজাহান আলীর দিঘির শেষ কুমির অপসারণ, সাড়ে ৬শ বছরের ঐতিহ্যের অবসান

‘আমি ধর্ষণ করছি, রামিসাকে মারছে ডলার’, দাবি আসামি সোহেলের

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুনানি শুরু হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) সকাল পৌনে ৮টায় দুই আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ১১টার পর তাদের ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতে হাজির হওয়ার পর আসামি সোহেল রানা সাংবাদিকদের উদ্দেশে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, তিনি একা দোষী নন এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য একজনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তার ভাষায়, তিনি ধর্ষণের কথা স্বীকার করলেও হত্যার ঘটনায় অন্য একজন জড়িত, যাকে তিনি ‘ডলার’ নামে উল্লেখ করেন।

সোহেল রানা আরও দাবি করেন, তাকে দুই লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল এবং তার ডিএনএ পরীক্ষার বিষয়ে অনিয়ম করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন। তবে ‘ডলার’ নামের ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে তিনি সুস্পষ্ট কোনো তথ্য দেননি।

এর আগে সকালেই দুই আসামিকে কারাগার থেকে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সোহেল রানা কেরানীগঞ্জ কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান গত ২৪ মে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়। মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষী রাখা হয়েছে।

পরবর্তীতে মামলাটি ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয় এবং আদালত আজ চার্জগঠনের শুনানির দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ১৯ মে সকালে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তাকে কৌশলে ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে। ঘটনার পর প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে, তবে উচ্চ আদালতসহ বিভিন্ন ধাপের কারণে চূড়ান্ত রায় কার্যকর হতে সময় লাগতে পারে।

kalprakash.com/SS

সোমবার, ১ জুন ২০২৬
‘আমি ধর্ষণ করছি, রামিসাকে মারছে ডলার’, দাবি আসামি সোহেলের
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনায় রিয়া হত্যা মামলার ৩ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার: গুম করার কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার জব্দ

‘আমি ধর্ষণ করছি, রামিসাকে মারছে ডলার’, দাবি আসামি সোহেলের

প্রকাশিত: ১২:১৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুনানি শুরু হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) সকাল পৌনে ৮টায় দুই আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ১১টার পর তাদের ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতে হাজির হওয়ার পর আসামি সোহেল রানা সাংবাদিকদের উদ্দেশে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, তিনি একা দোষী নন এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য একজনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তার ভাষায়, তিনি ধর্ষণের কথা স্বীকার করলেও হত্যার ঘটনায় অন্য একজন জড়িত, যাকে তিনি ‘ডলার’ নামে উল্লেখ করেন।

সোহেল রানা আরও দাবি করেন, তাকে দুই লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল এবং তার ডিএনএ পরীক্ষার বিষয়ে অনিয়ম করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন। তবে ‘ডলার’ নামের ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে তিনি সুস্পষ্ট কোনো তথ্য দেননি।

এর আগে সকালেই দুই আসামিকে কারাগার থেকে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সোহেল রানা কেরানীগঞ্জ কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান গত ২৪ মে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়। মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষী রাখা হয়েছে।

পরবর্তীতে মামলাটি ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয় এবং আদালত আজ চার্জগঠনের শুনানির দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ১৯ মে সকালে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তাকে কৌশলে ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে। ঘটনার পর প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে, তবে উচ্চ আদালতসহ বিভিন্ন ধাপের কারণে চূড়ান্ত রায় কার্যকর হতে সময় লাগতে পারে।

kalprakash.com/SS

সোমবার, ১ জুন ২০২৬
‘আমি ধর্ষণ করছি, রামিসাকে মারছে ডলার’, দাবি আসামি সোহেলের