বৈশ্বিক অস্থিরতা ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আসন্ন বাজেটে জ্বালানি, খাদ্যসহ কয়েকটি খাতে ভর্তুকি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং শিল্প উৎপাদনেও চাপ তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে ভর্তুকি কিছুটা বাড়ানো হচ্ছে এবং এই খাতে বড় অঙ্কের বরাদ্দ রাখা হবে।
অন্যদিকে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওএমএস, টিসিবি ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে খাদ্য খাতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সার আমদানি ও উৎপাদনেও উল্লেখযোগ্য ভর্তুকি থাকবে। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নেও অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রণোদনা খাতেও ব্যয় বাড়বে, বিশেষ করে কৃষি, রপ্তানি, পাট ও রেমিট্যান্স খাতে বাড়তি সহায়তা দেওয়া হবে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে ঋণনির্ভর উন্নয়ন কাঠামো সুদ পরিশোধের চাপ বাড়াচ্ছে, তাই রাজস্ব আয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে মোট বরাদ্দ জিডিপির প্রায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে, যার পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকার বেশি।