বাংলাদেশ ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo উচ্ছ্বাস থেকে নস্টালজিয়া, বদলে যাওয়া ঈদের গল্প Logo নীলফামারীর পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়, ইজারাদারকে জরিমানা Logo নালিতাবাড়ীতে ধর্ষণের প্রতিবাদে জামায়াতের মানববন্ধন, শরিয়াহভিত্তিক বিচারের দাবি Logo রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার বার্ষিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার Logo লালপুরে ভ্যান ছিনতাইয়ের চেষ্টা, গণধোলাই শেষে পুলিশের কাছে সোপর্দ Logo নবীনগর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন বিএনপি নেতা মাসুদ রানা Logo বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান খান Logo জুনের শুরুতেই মোংলায় চালু হচ্ছে ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস Logo বাগেরহাটের কোরবানির হাটে আকর্ষণের কেন্দ্র ‘ধলু মিয়া’ Logo জলবায়ু সহনশীল কৃষিতে নারীদের স্বাবলম্বী করতে মোংলায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা

সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, সাংস্কৃতিক সহযোগিতা জোরদারের আলোচনা

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে সচিবালয়ে তার দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় নেপালের উপ-মিশন প্রধান মিজ লালিতা সিওয়াল উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল রোববার (৩ মে) অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘ ঐতিহাসিক, সভ্যতাগত ও ধর্মীয় সম্পর্কের বিষয়টি স্মরণ করা হয় এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষভাবে চলমান ‘সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি (সিইপি) ২০২২-২০২৫’ এর মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষিতে এর নবায়ন ও পরিসর বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী আগামী ১৫ মে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘নেপাল উৎসব’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান। দূতাবাস ও বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবে নেপালের পোখরা একাডেমির একটি শিল্পীদল সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেবে এবং নেপালি খাবারের বৈচিত্র্যও উপস্থাপন করা হবে।

সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ। দুই দেশের শিল্পকলা, ঐতিহ্য ও সাহিত্য বিনিময় জনগণের মধ্যে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে তুলছে।

তিনি আধুনিক প্রযুক্তি, ডিজিটাল সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্পকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন ও সময়োপযোগী সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি বাংলা একাডেমি ও নেপাল একাডেমির মধ্যে সাহিত্যিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করা এবং দুই দেশের সাহিত্য অনুবাদের উদ্যোগ বাড়ানোর প্রস্তাব দেন।

রাষ্ট্রদূত ভান্ডারী বাংলাদেশের আতিথেয়তার প্রশংসা করে বলেন, নেপাল বাংলাদেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। তিনি এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে নেপালের অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং সাংস্কৃতিক পর্যটন উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব দেন।

সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ শিল্পী, গবেষক ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের নিয়মিত বিনিময় এবং যৌথ সাংস্কৃতিক আয়োজন বাড়ানোর বিষয়ে একমত হন।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

উচ্ছ্বাস থেকে নস্টালজিয়া, বদলে যাওয়া ঈদের গল্প

সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, সাংস্কৃতিক সহযোগিতা জোরদারের আলোচনা

প্রকাশিত: ০২:৩১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে সচিবালয়ে তার দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় নেপালের উপ-মিশন প্রধান মিজ লালিতা সিওয়াল উপস্থিত ছিলেন।

গতকাল রোববার (৩ মে) অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘ ঐতিহাসিক, সভ্যতাগত ও ধর্মীয় সম্পর্কের বিষয়টি স্মরণ করা হয় এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষভাবে চলমান ‘সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি (সিইপি) ২০২২-২০২৫’ এর মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষিতে এর নবায়ন ও পরিসর বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী আগামী ১৫ মে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘নেপাল উৎসব’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান। দূতাবাস ও বাংলাদেশ-নেপাল ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবে নেপালের পোখরা একাডেমির একটি শিল্পীদল সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেবে এবং নেপালি খাবারের বৈচিত্র্যও উপস্থাপন করা হবে।

সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ। দুই দেশের শিল্পকলা, ঐতিহ্য ও সাহিত্য বিনিময় জনগণের মধ্যে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে তুলছে।

তিনি আধুনিক প্রযুক্তি, ডিজিটাল সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্পকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন ও সময়োপযোগী সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি বাংলা একাডেমি ও নেপাল একাডেমির মধ্যে সাহিত্যিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করা এবং দুই দেশের সাহিত্য অনুবাদের উদ্যোগ বাড়ানোর প্রস্তাব দেন।

রাষ্ট্রদূত ভান্ডারী বাংলাদেশের আতিথেয়তার প্রশংসা করে বলেন, নেপাল বাংলাদেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। তিনি এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে নেপালের অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং সাংস্কৃতিক পর্যটন উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব দেন।

সাক্ষাৎ শেষে উভয় পক্ষ শিল্পী, গবেষক ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের নিয়মিত বিনিময় এবং যৌথ সাংস্কৃতিক আয়োজন বাড়ানোর বিষয়ে একমত হন।