তিনি জানান, অব্যবহৃত মোবাইল ডেটা যাতে গ্রাহকের জন্য অপচয় না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ১১ কোটি ৩৫ লাখ মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর চাহিদা ও ব্যবহারের ধরন ভিন্ন হওয়ায় অপারেটররা বিভিন্ন মেয়াদভিত্তিক প্যাকেজ দিয়ে থাকে। এর মধ্যে মূল্য, ভলিউম এবং মেয়াদ—সবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে কাজ করে।
তিনি আরও জানান, ডেটার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে অব্যবহৃত অংশ বাতিল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে। গ্রাহকস্বার্থ রক্ষায় এ সমস্যা সমাধানে সক্রিয়ভাবে কাজ চলছে।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই মেয়াদভিত্তিক ডেটা প্যাকেজ প্রচলিত রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা রেখেছে, যাতে একই প্যাকেজ পুনরায় কিনলে বা অটো-রিনিউ করলে অব্যবহৃত ডেটা ক্যারি ফরওয়ার্ড করা যায়।
বর্তমানে দীর্ঘমেয়াদি—প্রায় ১০ বছর মেয়াদের ডেটা প্যাকেজও রয়েছে, যা অনেকটা স্থায়ী সুবিধার মতো কাজ করছে বলে জানান তিনি।
ইন্টারনেট সেবার মানোন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিশেষ করে গ্রামীণ ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং সেবার মান বাড়াতে কাজ চলছে।
এছাড়া বিটিআরসি’র নির্দেশনায় সেবার মান যাচাই, ড্রাইভ টেস্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স সূচক (KPI) অনুযায়ী নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ডিজিটাল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফাইভজি সেবা চালু করা হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ প্রায় ৪০০টিরও বেশি স্থানে স্বল্প পরিসরে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
সব মিলিয়ে অব্যবহৃত ডেটা ও ইন্টারনেট সেবার মান উন্নয়নে সরকার নতুন করে উদ্যোগ নিচ্ছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যা মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য স্বস্তির খবর হতে পারে।