বাংলাদেশ ১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন Logo এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতসহ দুই দাবিতে রাবিতে বিক্ষোভ Logo ৬ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার Logo দরজার সামনে মিলল নবজাতক ছেলে শিশু, স্বজনদের খোঁজে পুলিশ Logo ‘ফার্মের মুরগী’ বিতর্কে আত্মপ্রকাশ করল ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ Logo মঠবাড়িয়ার আবাসিক হোটেলে অভিযান, মাদকদ্রব্যসহ আটক ২ Logo যাত্রীসংকটে ১৬ জুলাই থেকে যশোর-ঢাকা রুটে ফ্লাইট বন্ধ করছে ইউএস-বাংলা Logo সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জনের আত্মসমর্পণ Logo সাঁথিয়ায় সাংবাদিক আব্দুদ দাইন সরকারকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ Logo রুহিয়ায় চুরি হওয়া ষাঁড় গরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

সবসময় ব্লুটুথ অন রাখলে রয়েছে নিরাপত্তা ঝুঁকি

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ চালু রাখা এখন অনেকেরই দৈনন্দিন অভ্যাস। ওয়্যারলেস ইয়ারফোন, স্মার্টওয়াচ, গাড়ির অডিও সিস্টেম কিংবা দ্রুত ফাইল আদান-প্রদানের সুবিধায় প্রযুক্তিটি দিন দিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে প্রয়োজন শেষে ব্লুটুথ বন্ধ না রাখলে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও ডিভাইসের সুরক্ষায় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লুটুথ চালু থাকলে স্মার্টফোন আশপাশের অন্যান্য ডিভাইসের কাছে দৃশ্যমান হয়ে পড়ে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধীরা ডিভাইস শনাক্ত করে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা চালাতে পারে। বর্তমানে ব্লুটুথভিত্তিক সাইবার আক্রমণ প্রযুক্তি দুনিয়ায় পরিচিত এক ধরনের ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে।

শুধু হ্যাকিং নয়, ব্লুটুথ সিগন্যাল ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর অবস্থান বা চলাচলের তথ্যও ট্র্যাক করা সম্ভব। বিশেষ করে শপিং মল, বিমানবন্দর কিংবা জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় কিছু প্রতিষ্ঠান মানুষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে। ফলে অনেক সময় ব্যবহারকারীর অজান্তেই ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

এ ছাড়া অচেনা ডিভাইসের সঙ্গে ভুলবশত সংযুক্ত হওয়ার ঘটনাও বাড়ছে। প্রতারকরা অনেক সময় পরিচিত বা আকর্ষণীয় নাম ব্যবহার করে ভুয়া ব্লুটুথ ডিভাইস তৈরি করে। ব্যবহারকারী সেটিতে সংযোগ দিলে ফোনের নির্দিষ্ট তথ্য বা কিছু ফিচারে অননুমোদিত প্রবেশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

যদিও আধুনিক ব্লুটুথ প্রযুক্তি তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ খরচ করে, তবুও দীর্ঘসময় চালু থাকলে ধীরে ধীরে স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ কমে যেতে পারে।

তবে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্লুটুথ পুরোপুরি বন্ধ রাখার প্রয়োজন নেই। কিছু সাধারণ সতর্কতা মেনে চললেই নিরাপদ থাকা সম্ভব। যেমন—প্রয়োজন না হলে ব্লুটুথ বন্ধ রাখা, ফোনকে ‘নন-ডিসকভারেবল’ মোডে রাখা, অপরিচিত ডিভাইসের সঙ্গে সংযোগ এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করা।

বিশেষ করে পাবলিক স্থানে ব্লুটুথ ব্যবহারের সময় বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

kalprakash.com/SS
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন

সবসময় ব্লুটুথ অন রাখলে রয়েছে নিরাপত্তা ঝুঁকি

প্রকাশিত: ১১:২৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ চালু রাখা এখন অনেকেরই দৈনন্দিন অভ্যাস। ওয়্যারলেস ইয়ারফোন, স্মার্টওয়াচ, গাড়ির অডিও সিস্টেম কিংবা দ্রুত ফাইল আদান-প্রদানের সুবিধায় প্রযুক্তিটি দিন দিন আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে প্রয়োজন শেষে ব্লুটুথ বন্ধ না রাখলে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও ডিভাইসের সুরক্ষায় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লুটুথ চালু থাকলে স্মার্টফোন আশপাশের অন্যান্য ডিভাইসের কাছে দৃশ্যমান হয়ে পড়ে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধীরা ডিভাইস শনাক্ত করে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা চালাতে পারে। বর্তমানে ব্লুটুথভিত্তিক সাইবার আক্রমণ প্রযুক্তি দুনিয়ায় পরিচিত এক ধরনের ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে।

শুধু হ্যাকিং নয়, ব্লুটুথ সিগন্যাল ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর অবস্থান বা চলাচলের তথ্যও ট্র্যাক করা সম্ভব। বিশেষ করে শপিং মল, বিমানবন্দর কিংবা জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় কিছু প্রতিষ্ঠান মানুষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে। ফলে অনেক সময় ব্যবহারকারীর অজান্তেই ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

এ ছাড়া অচেনা ডিভাইসের সঙ্গে ভুলবশত সংযুক্ত হওয়ার ঘটনাও বাড়ছে। প্রতারকরা অনেক সময় পরিচিত বা আকর্ষণীয় নাম ব্যবহার করে ভুয়া ব্লুটুথ ডিভাইস তৈরি করে। ব্যবহারকারী সেটিতে সংযোগ দিলে ফোনের নির্দিষ্ট তথ্য বা কিছু ফিচারে অননুমোদিত প্রবেশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

যদিও আধুনিক ব্লুটুথ প্রযুক্তি তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ খরচ করে, তবুও দীর্ঘসময় চালু থাকলে ধীরে ধীরে স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ কমে যেতে পারে।

তবে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্লুটুথ পুরোপুরি বন্ধ রাখার প্রয়োজন নেই। কিছু সাধারণ সতর্কতা মেনে চললেই নিরাপদ থাকা সম্ভব। যেমন—প্রয়োজন না হলে ব্লুটুথ বন্ধ রাখা, ফোনকে ‘নন-ডিসকভারেবল’ মোডে রাখা, অপরিচিত ডিভাইসের সঙ্গে সংযোগ এড়িয়ে চলা এবং নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করা।

বিশেষ করে পাবলিক স্থানে ব্লুটুথ ব্যবহারের সময় বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

kalprakash.com/SS