মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, আসমান-জমিন ও তাদের মধ্যবর্তী সবকিছু তিনি খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করেননি। যদি তিনি বিনোদনের জন্য কিছু সৃষ্টি করতে চাইতেন, তবে তা তাঁর নিজ সত্তা থেকেই করতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি (সুরা আম্বিয়া: ১৬-১৭)
এই আয়াতে স্পষ্ট করা হয়েছে, বিশ্বজগত কোনো উদ্দেশ্যহীন সৃষ্টি নয়। যারা মনে করে পার্থিব জীবনই শেষ, তাদের ধারণা অনুযায়ী সবকিছুই যেন অর্থহীন—না আছে হিসাব, না আছে প্রতিফল। কিন্তু এ ধরনের চিন্তা আল্লাহ তাআলার মহিমার পরিপন্থী এবং তা চরম ধৃষ্টতার শামিল।
তাফসির অনুযায়ী, আল্লাহ তাআলা আসমান-জমিন সৃষ্টি করেছেন যাতে মানুষ তাঁর নিদর্শন দেখে, তাঁকে স্মরণ করে এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। لَهْو শব্দ দ্বারা বোঝানো হয়েছে অর্থহীন বা উদ্দেশ্যহীন কাজ, যা আল্লাহর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
এ আয়াতের মাধ্যমে ইহুদি ও নাসারাদের কিছু ভ্রান্ত ধারণারও জবাব দেওয়া হয়েছে, যেখানে তারা আল্লাহর জন্য সন্তান নির্ধারণ করেছিল।
শিক্ষা ও বিধান
- আল্লাহ তাআলা কোনো কিছুই অনর্থক সৃষ্টি করেননি
- তাঁর প্রতিটি কাজ প্রজ্ঞা, ন্যায় ও জ্ঞানে পরিপূর্ণ
- তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, বরং সবকিছুই তাঁর ওপর নির্ভরশীল
- মানুষের জীবনও উদ্দেশ্যপূর্ণ হওয়া উচিত
- পৃথিবী ভোগের স্থান নয়, বরং পরীক্ষার ময়দান
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 

























