বাংলাদেশ ১১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ Logo ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভ, সেই নারীর বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা Logo মণিরামপুরে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন Logo ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিয়ামকে ফোনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ Logo চাটমোহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড Logo পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ Logo নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সহকারী শিক্ষিকার বদলির দাবিতে মানববন্ধন Logo সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনার একনেক অনুমোদনের দাবিতে পাঁচ জেলায় গণসমাবেশ Logo এক আইডিতে মিলবে সব সেবা
প্রতিশ্রুতি রাখলো বিএনপি সরকার

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফে সরকারের সিদ্ধান্ত, উপকৃত হবেন প্রায় ১২ লাখ কৃষক

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিক চাপ কমানো এবং কৃষি খাতের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সরকারের এ সিদ্ধান্তের আওতায় সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বকেয়া কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কৃষকদের মোট বকেয়া সুদসহ পাওনার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। এই অর্থই মওকুফের আওতায় আসবে।

সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১২ লাখ কৃষক সরাসরি এ সিদ্ধান্তের সুফল পাবেন। এতে করে ঋণের দায়মুক্ত হয়ে তারা নতুন মৌসুমে চাষাবাদে মনোযোগী হতে পারবেন। একই সঙ্গে উন্নত বীজ, আধুনিক সেচ ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ঋণ মওকুফের ফলে কৃষকদের ক্রেডিট প্রোফাইল উন্নত হবে, ফলে তারা ভবিষ্যতে স্বল্প সুদে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ গ্রহণে সক্ষম হবেন। এতে করে উচ্চ সুদের মহাজনী ঋণের ওপর নির্ভরতা কমবে।

সরকার আশা করছে, এই পদক্ষেপ কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হবে, আমদানি নির্ভরতা কমাবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি গ্রাম থেকে শহরমুখী অভিবাসন কমানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯১-১৯৯৬ মেয়াদে তৎকালীন সরকার ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদ-আসল মওকুফের উদ্যোগ নিয়েছিল, যা সে সময় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফে সরকারের সিদ্ধান্ত, উপকৃত হবেন প্রায় ১২ লাখ কৃষক
জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

প্রতিশ্রুতি রাখলো বিএনপি সরকার

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফে সরকারের সিদ্ধান্ত, উপকৃত হবেন প্রায় ১২ লাখ কৃষক

প্রকাশিত: ০৫:০২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিক চাপ কমানো এবং কৃষি খাতের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সরকারের এ সিদ্ধান্তের আওতায় সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বকেয়া কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কৃষকদের মোট বকেয়া সুদসহ পাওনার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। এই অর্থই মওকুফের আওতায় আসবে।

সরকারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১২ লাখ কৃষক সরাসরি এ সিদ্ধান্তের সুফল পাবেন। এতে করে ঋণের দায়মুক্ত হয়ে তারা নতুন মৌসুমে চাষাবাদে মনোযোগী হতে পারবেন। একই সঙ্গে উন্নত বীজ, আধুনিক সেচ ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ঋণ মওকুফের ফলে কৃষকদের ক্রেডিট প্রোফাইল উন্নত হবে, ফলে তারা ভবিষ্যতে স্বল্প সুদে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ গ্রহণে সক্ষম হবেন। এতে করে উচ্চ সুদের মহাজনী ঋণের ওপর নির্ভরতা কমবে।

সরকার আশা করছে, এই পদক্ষেপ কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হবে, আমদানি নির্ভরতা কমাবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি গ্রাম থেকে শহরমুখী অভিবাসন কমানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯১-১৯৯৬ মেয়াদে তৎকালীন সরকার ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদ-আসল মওকুফের উদ্যোগ নিয়েছিল, যা সে সময় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফে সরকারের সিদ্ধান্ত, উপকৃত হবেন প্রায় ১২ লাখ কৃষক