বাংলাদেশ ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

লিভার সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে যেসব খাবার কার্যকর

সংগৃহীত ছবি

শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো লিভার বা যকৃত। এটি শরীরের টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে বের করে দেয় এবং হজমসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। তবে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার ও পানি কম পান করার কারণে লিভারে চাপ পড়ে এবং এর কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। সঠিক খাবার গ্রহণের মাধ্যমে লিভারকে সুস্থ রাখা সম্ভব।

লিভার ভালো রাখতে উপকারী কিছু খাবার হলো—

রসুন
রসুনে থাকা সালফার লিভারের এনজাইমকে সক্রিয় করে শরীরের ক্ষতিকর উপাদান দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১–২ কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়া উপকারী হতে পারে।

হলুদ
হলুদের কারকিউমিন উপাদান লিভারের চর্বি কমাতে এবং কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে। এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে সামান্য হলুদ মিশিয়ে রাতে পান করা যেতে পারে।

গ্রিন টি
অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং অতিরিক্ত চর্বি জমা রোধ করে। দিনে ১–২ বার চিনি ছাড়া গ্রিন টি পান করা ভালো।

লেবু ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল
লেবু, আমলকী ও পেয়ারা লিভারকে ডিটক্স করতে সাহায্য করে। সকালে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করা বা নিয়মিত এসব ফল খাওয়া উপকারী।

সবুজ শাকসবজি
পালং শাক, ব্রকলি ও করলা শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান দূর করতে সহায়তা করে। প্রতিদিনের খাবারে এসব শাকসবজি রাখলে লিভার সুস্থ থাকে।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখা সহজ হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে নানা রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

kalprakash.com/SS

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

লিভার সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে যেসব খাবার কার্যকর

প্রকাশিত: ০৬:১৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো লিভার বা যকৃত। এটি শরীরের টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে বের করে দেয় এবং হজমসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। তবে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার ও পানি কম পান করার কারণে লিভারে চাপ পড়ে এবং এর কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। সঠিক খাবার গ্রহণের মাধ্যমে লিভারকে সুস্থ রাখা সম্ভব।

লিভার ভালো রাখতে উপকারী কিছু খাবার হলো—

রসুন
রসুনে থাকা সালফার লিভারের এনজাইমকে সক্রিয় করে শরীরের ক্ষতিকর উপাদান দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১–২ কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়া উপকারী হতে পারে।

হলুদ
হলুদের কারকিউমিন উপাদান লিভারের চর্বি কমাতে এবং কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে। এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে সামান্য হলুদ মিশিয়ে রাতে পান করা যেতে পারে।

গ্রিন টি
অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং অতিরিক্ত চর্বি জমা রোধ করে। দিনে ১–২ বার চিনি ছাড়া গ্রিন টি পান করা ভালো।

লেবু ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল
লেবু, আমলকী ও পেয়ারা লিভারকে ডিটক্স করতে সাহায্য করে। সকালে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করা বা নিয়মিত এসব ফল খাওয়া উপকারী।

সবুজ শাকসবজি
পালং শাক, ব্রকলি ও করলা শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান দূর করতে সহায়তা করে। প্রতিদিনের খাবারে এসব শাকসবজি রাখলে লিভার সুস্থ থাকে।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখা সহজ হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে নানা রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

kalprakash.com/SS