বাংলাদেশ ০৮:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo চাটমোহরে গ্রামীণ রাস্তা এইচবিবিকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন মহিলা আসনের এমপি রুমা Logo রং মুছে যাচ্ছে সেই আলোচিত আর্জেন্টিনার বাড়ির Logo নাটোরে বিষধর সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু Logo রামপালে র‍্যাবের হাতে জলদস্যু বাহিনীর সহযোগী সন্দেহে আটক, তিনটি অস্ত্র উদ্ধার Logo বেনাপোল দিয়ে প্রবেশ করলেন নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী Logo মানিকগঞ্জে খুদে বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত Logo নতুন তিন সিনেমায় চমক দেখাতে আসছেন আফরান নিশো Logo সীমান্ত অপরাধ দমনে সহযোগিতা বাড়াতে একমত বিজিবি-বিএসএফ Logo প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কারের রূপরেখা নেই: নাহিদ ইসলাম Logo সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে, আশা অর্থমন্ত্রীর

প্রোটিনের জন্য দুধ নাকি ডিম, কোনটি বেশি উপকারী?

শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণে প্রোটিনের গুরুত্ব অপরিসীম। আর প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের কথা উঠলেই সবার আগে আসে দুধ ও ডিমের নাম। সহজলভ্য, পুষ্টিকর এবং দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় সহজে যুক্ত করা যায় বলে এই দুটি খাবারই বেশ জনপ্রিয়। তবে প্রশ্ন হলো, প্রোটিনের জন্য কোনটি বেশি উপকারী—দুধ নাকি ডিম?

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রোটিনের পরিমাণের দিক থেকে দুধ ও ডিমের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। একটি বড় ডিমে সাধারণত ৬ থেকে ৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। অন্যদিকে ২৫০ মিলিলিটার দুধে পাওয়া যায় প্রায় ৮ গ্রাম প্রোটিন। অর্থাৎ, প্রোটিনের পরিমাণ বিবেচনায় দুটিই প্রায় সমান কার্যকর।

শুধু প্রোটিন নয়, ডিম ও দুধ উভয়ই ‘সম্পূর্ণ প্রোটিন’ হিসেবে পরিচিত। এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সব অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা শরীর নিজে তৈরি করতে পারে না।

ডিমের জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হলো এর সহজলভ্যতা ও পুষ্টিগুণ। এতে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, কোলিন, ভিটামিন বি-১২ এবং সেলেনিয়াম। দ্রুত রান্না করা যায় এবং সহজে হজম হয় বলেও অনেকের খাদ্যতালিকায় ডিমের গুরুত্ব বেশি।

অন্যদিকে দুধের বিশেষত্ব এর প্রোটিনের ধরনে। দুধে থাকা হোয়ে প্রোটিন দ্রুত শরীরে শোষিত হয়, আর কেসিন ধীরে ধীরে হজম হয়। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে শরীর প্রোটিন পেতে থাকে। এ কারণে শরীরচর্চাকারীদের কাছে দুধ বেশ জনপ্রিয়। পাশাপাশি এতে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন ডি থাকায় হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্যও এটি উপকারী।

গবেষণায় দেখা গেছে, দুধ ও ডিম উভয়েই এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা শরীরকে অক্সিডেটিভ চাপ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। ফলে পেশি গঠনের পাশাপাশি সার্বিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতেও এ দুটি খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুধ ও ডিমকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং দুটি খাবারই একে অপরের পরিপূরক। সকালের নাস্তায় ডিম এবং দিনের অন্য সময়ে দুধ খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান পেতে পারে।

তাই প্রোটিনের জন্য দুধ নাকি ডিম—এই বিতর্কে নির্দিষ্ট কোনো বিজয়ী নেই। সুস্থ জীবনযাপনের জন্য খাদ্যতালিকায় দুটিই রাখা সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রোটিনের জন্য দুধ নাকি ডিম, কোনটি বেশি উপকারী?
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

চাটমোহরে গ্রামীণ রাস্তা এইচবিবিকরণ কাজের উদ্বোধন করলেন মহিলা আসনের এমপি রুমা

প্রোটিনের জন্য দুধ নাকি ডিম, কোনটি বেশি উপকারী?

প্রকাশিত: ০৫:০৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণে প্রোটিনের গুরুত্ব অপরিসীম। আর প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের কথা উঠলেই সবার আগে আসে দুধ ও ডিমের নাম। সহজলভ্য, পুষ্টিকর এবং দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় সহজে যুক্ত করা যায় বলে এই দুটি খাবারই বেশ জনপ্রিয়। তবে প্রশ্ন হলো, প্রোটিনের জন্য কোনটি বেশি উপকারী—দুধ নাকি ডিম?

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রোটিনের পরিমাণের দিক থেকে দুধ ও ডিমের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। একটি বড় ডিমে সাধারণত ৬ থেকে ৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। অন্যদিকে ২৫০ মিলিলিটার দুধে পাওয়া যায় প্রায় ৮ গ্রাম প্রোটিন। অর্থাৎ, প্রোটিনের পরিমাণ বিবেচনায় দুটিই প্রায় সমান কার্যকর।

শুধু প্রোটিন নয়, ডিম ও দুধ উভয়ই ‘সম্পূর্ণ প্রোটিন’ হিসেবে পরিচিত। এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সব অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা শরীর নিজে তৈরি করতে পারে না।

ডিমের জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ হলো এর সহজলভ্যতা ও পুষ্টিগুণ। এতে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, কোলিন, ভিটামিন বি-১২ এবং সেলেনিয়াম। দ্রুত রান্না করা যায় এবং সহজে হজম হয় বলেও অনেকের খাদ্যতালিকায় ডিমের গুরুত্ব বেশি।

অন্যদিকে দুধের বিশেষত্ব এর প্রোটিনের ধরনে। দুধে থাকা হোয়ে প্রোটিন দ্রুত শরীরে শোষিত হয়, আর কেসিন ধীরে ধীরে হজম হয়। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে শরীর প্রোটিন পেতে থাকে। এ কারণে শরীরচর্চাকারীদের কাছে দুধ বেশ জনপ্রিয়। পাশাপাশি এতে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন ডি থাকায় হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্যও এটি উপকারী।

গবেষণায় দেখা গেছে, দুধ ও ডিম উভয়েই এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা শরীরকে অক্সিডেটিভ চাপ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। ফলে পেশি গঠনের পাশাপাশি সার্বিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতেও এ দুটি খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুধ ও ডিমকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং দুটি খাবারই একে অপরের পরিপূরক। সকালের নাস্তায় ডিম এবং দিনের অন্য সময়ে দুধ খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান পেতে পারে।

তাই প্রোটিনের জন্য দুধ নাকি ডিম—এই বিতর্কে নির্দিষ্ট কোনো বিজয়ী নেই। সুস্থ জীবনযাপনের জন্য খাদ্যতালিকায় দুটিই রাখা সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রোটিনের জন্য দুধ নাকি ডিম, কোনটি বেশি উপকারী?