বাংলাদেশ ০৩:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নবনিযুক্ত কুবি উপাচার্যকে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের শুভেচ্ছা Logo নওগাঁ সদর উপজেলা কৃষকদলের কমিটি গঠন, আহ্বায়ক মামুন ও সদস্য সচিব সবুর Logo পাবিপ্রবির নতুন ভিসি ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম Logo স্বর্ণের চেইন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, দম্পতির ওপর হামলা Logo চিতলমারীতে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন, কৃষকের ধান কিনছে সরকার Logo তৃণমূল সাংবাদিকদের সংগঠন এসএসপির নেতৃত্বে মজনু-আবিদ Logo যোগদানের আগেই বেরোবির নতুন উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল Logo ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন কুবির ১৬ শিক্ষার্থী Logo আজকের উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি Logo টানা দুই দফা বৃদ্ধির পর কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ২ হাজার ২১৬ টাকা

সাগর-রুনি হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১২৬তম বার, নতুন তারিখ ১৮ জুন

ফাইল ছবি

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে মোট ১২৬ বার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল আদালত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হন। ফলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান নতুন করে আগামী ১৮ জুন প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের সাব-ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম রাসেল।

মামলার নথি অনুযায়ী, এ হত্যা মামলায় রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান আসামি হিসেবে রয়েছে। এদের মধ্যে তানভীর জামিনে এবং পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন। বাকি আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নির্মমভাবে খুন হন। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে স্থানীয় থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও চার দিনের মধ্যেই মামলাটি ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে দুই মাসের তদন্তেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় পরে হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার র‌্যাবকে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেয় এবং ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে র‌্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় টাস্কফোর্স গঠন করে, যেখানে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের কমিটি করা হয়। তবে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আলোচিত এ হত্যা মামলার তদন্ত এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

নবনিযুক্ত কুবি উপাচার্যকে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের শুভেচ্ছা

সাগর-রুনি হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১২৬তম বার, নতুন তারিখ ১৮ জুন

প্রকাশিত: ০৩:৫৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে মোট ১২৬ বার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল আদালত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও তদন্ত কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হন। ফলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান নতুন করে আগামী ১৮ জুন প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের সাব-ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম রাসেল।

মামলার নথি অনুযায়ী, এ হত্যা মামলায় রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান আসামি হিসেবে রয়েছে। এদের মধ্যে তানভীর জামিনে এবং পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন। বাকি আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নির্মমভাবে খুন হন। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

প্রথমে স্থানীয় থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও চার দিনের মধ্যেই মামলাটি ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে দুই মাসের তদন্তেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় পরে হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার র‌্যাবকে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেয় এবং ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে র‌্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় টাস্কফোর্স গঠন করে, যেখানে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের কমিটি করা হয়। তবে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আলোচিত এ হত্যা মামলার তদন্ত এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

kalprakash.com/SS