বাংলাদেশ ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নারী শিক্ষার্থীর গোপনে ছবি তোলার দুই ঘটনায় দুই সিদ্ধান্ত, প্রশ্নের মুখে জাবি প্রশাসন Logo নবম বর্ষে পদার্পণ করল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তাঁদের পাশে আমরা’ Logo চাটমোহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪ মাদকসেবীর কারাদণ্ড Logo স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়েও নেই রাস্তা, দুর্ভোগে ধরমন্ডলের ৪ নম্বর ওয়ার্ডবাসী Logo যশোরে পুলিশের অভিযানে ৭টি চোরাই মোবাইল উদ্ধার, যুবক গ্রেপ্তার Logo বাগেরহাটে ডিবির অভিযানে ৪০১৫ পিস ইয়াবাসহ ২৬ মামলার আসামি গ্রেপ্তার Logo মেস থেকে পাবিপ্রবির ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার Logo ইউপি চেয়ারম্যানের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা স্থগিত, প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব Logo তালমা নদীতে বাঁধ নির্মাণে রাস্তা সংকোচন: মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারের প্রতিবাদ Logo আ.লীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে কুবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) এনআইডি তথ্য পাচার মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলীকে গ্রেপ্তার এবং নিয়োগ বাণিজ্যের সুষ্ঠু তদন্তসহ কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সোলাইমানের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা৷ এসময় উপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষকে নিরপেক্ষতার আড়ালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জামায়াতীকরণের অভিযোগ করেন তারা।

বুধবার (৬ই মে) দুপুর একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মানববন্ধনে নিয়োগ পরবর্তী সময় থেকে উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষের দুর্নীতি, অনিয়ম, নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, আড়ালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি প্রতিষ্ঠা, গোপনে দলীয় নিয়োগ ইত্যাদির তদন্তের দাবি তুলেন শিক্ষার্থীরা।

আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আসিফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষার সর্বোচ্চ জায়গাতে যখন অনিয়ম ও দুর্নীতি হয় তখন সেটার প্রভাব সরাসরি সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর পড়ে৷ এই প্রশাসন ভুলে গেছেন বিশ্ববিদ্যালয় হলো শিক্ষা উৎপাদনের কেন্দ্র। তারা বিভিন্ন জায়গায় নিয়োগের ক্ষেত্রে জামাতিকরণ ও স্বজনপ্রীতি করে যাচ্ছেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে আপনারা যদি নিয়োগ স্বচ্ছ নিয়োগ না করেন, যারা আমাদের গুরু তারাই যদি হয় দুর্নীতিগ্রস্ত তাহলে আমরা শিক্ষার্থীরা কি প্রোডাক্ট হিসাবে এখান থেকে বের হবো।

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী এনামুল হক সাগর বলেন, ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণ হওয়া সত্ত্বেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি জবাবদিহিতার পর্যায় না গিয়ে এখনো নিজ পদে বহাল আছেন। এই ভিসি নিজের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য নিজের দলের লোকদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি স্বৈরাচারী হাসিনার আমল থেকে যে অপকর্ম করে আসছে তার সকল তথ্য প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে। প্রশাসনের মধ্যে আরেকজন ট্রেজারার ড. সোলায়মান, উনার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রয়েছে। তাকে জবাবদিহিতা করে হলেও এখন পর্যন্ত তিনি উত্তর দিতে পারেননি। আমরা জানান দিতে চাই, এই প্রশাসন যদি নিজেদের অবস্থান থেকে সরে না যায় তাহলে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে শীঘ্রই বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিবো।

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মোতাসিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত বলেন, এই প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ ও টেন্ডার দেওয়া থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি কার্যক্রমের মধ্যে নিজেদের অযোগ্যতার প্রমাণ করেছেন। প্রত্যেক জায়গায় দুর্নীতি ও দলীয়করণ করে যাচ্ছেন। সবকিছু এখন সকলের কাছে স্পষ্ট। এত কিছুর পরেও আপনারা কীভাবে নিজেদের স্বপদে বহাল থাকতে পারেন।

বুধবার, ৬ মে ২০২৬
উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে কুবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 
জনপ্রিয় সংবাদ

নারী শিক্ষার্থীর গোপনে ছবি তোলার দুই ঘটনায় দুই সিদ্ধান্ত, প্রশ্নের মুখে জাবি প্রশাসন

উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে কুবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 

প্রকাশিত: ০৭:১৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) এনআইডি তথ্য পাচার মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলীকে গ্রেপ্তার এবং নিয়োগ বাণিজ্যের সুষ্ঠু তদন্তসহ কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সোলাইমানের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা৷ এসময় উপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষকে নিরপেক্ষতার আড়ালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জামায়াতীকরণের অভিযোগ করেন তারা।

বুধবার (৬ই মে) দুপুর একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় মানববন্ধনে নিয়োগ পরবর্তী সময় থেকে উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষের দুর্নীতি, অনিয়ম, নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, আড়ালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি প্রতিষ্ঠা, গোপনে দলীয় নিয়োগ ইত্যাদির তদন্তের দাবি তুলেন শিক্ষার্থীরা।

আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আসিফ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষার সর্বোচ্চ জায়গাতে যখন অনিয়ম ও দুর্নীতি হয় তখন সেটার প্রভাব সরাসরি সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর পড়ে৷ এই প্রশাসন ভুলে গেছেন বিশ্ববিদ্যালয় হলো শিক্ষা উৎপাদনের কেন্দ্র। তারা বিভিন্ন জায়গায় নিয়োগের ক্ষেত্রে জামাতিকরণ ও স্বজনপ্রীতি করে যাচ্ছেন। নিয়োগের ক্ষেত্রে আপনারা যদি নিয়োগ স্বচ্ছ নিয়োগ না করেন, যারা আমাদের গুরু তারাই যদি হয় দুর্নীতিগ্রস্ত তাহলে আমরা শিক্ষার্থীরা কি প্রোডাক্ট হিসাবে এখান থেকে বের হবো।

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী এনামুল হক সাগর বলেন, ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণ হওয়া সত্ত্বেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি জবাবদিহিতার পর্যায় না গিয়ে এখনো নিজ পদে বহাল আছেন। এই ভিসি নিজের দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য নিজের দলের লোকদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিয়েছেন। তিনি স্বৈরাচারী হাসিনার আমল থেকে যে অপকর্ম করে আসছে তার সকল তথ্য প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে। প্রশাসনের মধ্যে আরেকজন ট্রেজারার ড. সোলায়মান, উনার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রয়েছে। তাকে জবাবদিহিতা করে হলেও এখন পর্যন্ত তিনি উত্তর দিতে পারেননি। আমরা জানান দিতে চাই, এই প্রশাসন যদি নিজেদের অবস্থান থেকে সরে না যায় তাহলে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে শীঘ্রই বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিবো।

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মোতাসিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত বলেন, এই প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ ও টেন্ডার দেওয়া থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি কার্যক্রমের মধ্যে নিজেদের অযোগ্যতার প্রমাণ করেছেন। প্রত্যেক জায়গায় দুর্নীতি ও দলীয়করণ করে যাচ্ছেন। সবকিছু এখন সকলের কাছে স্পষ্ট। এত কিছুর পরেও আপনারা কীভাবে নিজেদের স্বপদে বহাল থাকতে পারেন।

বুধবার, ৬ মে ২০২৬
উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে কুবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন