দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ অংশ নিতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (৪ মে) বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে ৫৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। তবে দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নিলেও শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করতে পারেনি পাবিপ্রবি, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, নিয়মিত অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ করে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে না পারা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিব্রতকর। এতে একদিকে যেমন প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে, অন্যদিকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা তাদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে পাবিপ্রবি স্পোর্টস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমেদ বলেন, “এ বছর আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অ্যাথলেটিক্স ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে না পারা অত্যন্ত দুঃখজনক। আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, শারীরিক শিক্ষা দপ্তর এ প্রতিযোগিতা সম্পর্কে অবগত ছিল না, যা দায়িত্বহীনতার পরিচায়ক। পূর্ববর্তী বছরগুলোতে নিয়মিত অংশগ্রহণের পর হঠাৎ এমন অনুপস্থিতি প্রশাসনিক উদাসীনতারই ফল। এর দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।”
একই বিষয়ে পাবিপ্রবি ফুটবল ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শাহজাহান বাদশা বলেন, “প্রশাসনের গাফিলতির কারণে খেলোয়াড়রা তাদের মেধা ও পরিশ্রম প্রদর্শনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এর আগেও একই কারণে আমরা ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারিনি। বারবার এমন ঘটনা আমাদের জন্য হতাশাজনক।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের পরিচালক ও অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এনামুল হক বলেন, “সাধারণত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্টগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমাদের চিঠির মাধ্যমে অবহিত করে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতা সম্পর্কে আমরা কোনো চিঠি পাইনি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব। তবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় আমরা অংশগ্রহণ করছি, কারণ সে বিষয়ে আমাদের অবহিত করা হয়েছে।”
পাবিপ্রবি প্রতিনিধি 























