বাংলাদেশ ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

বাংলাদেশের সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে: ইশরাক হোসেন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়েছিলো, আর সেই ধারাবাহিকতায় জনগণের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, আমাদের প্রত্যাশা নির্বাচনের আগে যেমন ছিল, এখনো তেমনই আছে। আমরা সবসময় একটি গণতান্ত্রিক, মুক্ত ও স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র গড়তে চেয়েছি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের লড়াইটা সেটাই ছিলো।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে নির্বাচনকে ধ্বংস করা হয়েছে, গণতন্ত্রকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের দাবিদার বলত, তারাই আসলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। দেশকে লুটপাট, গুম ও হত্যার রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল।

বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ফিরে এসেছি এবং একটি নির্বাচিত সরকার পেয়েছি। এখন জনগণের প্রত্যাশা পূরণই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। একেক অঞ্চলের মানুষের, একেক শ্রেণি-পেশার মানুষের আলাদা আলাদা প্রত্যাশা থাকতে পারে—আমাদের সেগুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা। সেই চেতনা ছিল দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা। পাহাড়ি কিংবা সমতলের মানুষ—সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। দেশ হবে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিএনপির মহানগর নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। ফুলে ফুলে ভরে ওঠা শহীদ মিনারের প্রাঙ্গণে ভাষা শহীদদের স্মরণ করে গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে: ইশরাক হোসেন

প্রকাশিত: ০১:৪০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়েছিলো, আর সেই ধারাবাহিকতায় জনগণের সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, আমাদের প্রত্যাশা নির্বাচনের আগে যেমন ছিল, এখনো তেমনই আছে। আমরা সবসময় একটি গণতান্ত্রিক, মুক্ত ও স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র গড়তে চেয়েছি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের লড়াইটা সেটাই ছিলো।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে নির্বাচনকে ধ্বংস করা হয়েছে, গণতন্ত্রকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের দাবিদার বলত, তারাই আসলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। দেশকে লুটপাট, গুম ও হত্যার রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল।

বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ফিরে এসেছি এবং একটি নির্বাচিত সরকার পেয়েছি। এখন জনগণের প্রত্যাশা পূরণই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। একেক অঞ্চলের মানুষের, একেক শ্রেণি-পেশার মানুষের আলাদা আলাদা প্রত্যাশা থাকতে পারে—আমাদের সেগুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা। সেই চেতনা ছিল দল-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা। পাহাড়ি কিংবা সমতলের মানুষ—সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। দেশ হবে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিএনপির মহানগর নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। ফুলে ফুলে ভরে ওঠা শহীদ মিনারের প্রাঙ্গণে ভাষা শহীদদের স্মরণ করে গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন তারা।