দেশের নদ-নদীতে অবৈধ দখলদারের সংখ্যা ২১ হাজার ৯৮২ জন বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের হালনাগাদ তালিকার বরাত দিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এ জবাব উপস্থাপন করা হয়।
নৌমন্ত্রী বলেন, অবৈধ দখলদারদের তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ এবং উচ্ছেদ কার্যক্রমের পরিকল্পনা পাঠাতে সব জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি জানান, অবিলম্বে উচ্ছেদযোগ্য তালিকা পাওয়া সাপেক্ষে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
বিআইডব্লিউটিসির বহরে রয়েছে ৪৭ ফেরি
বিএনপির সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে নৌমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)-এর অধীনে বর্তমানে ৪৭টি চলাচলযোগ্য ফেরি রয়েছে।
এর মধ্যে ১২টি রো-রো, ১৬টি মিডিয়াম, ৮টি ইমপ্রুভড মিডিয়াম এবং ১১টি ইউটিলিটি ফেরি।
তিনি আরও জানান, বিআইডব্লিউটিসির জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং দুটি নতুন শিপইয়ার্ড নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৬টি ইউটিলিটি ফেরি নির্মাণাধীন রয়েছে। এগুলো আগামী জুনের মধ্যে বহরে যুক্ত হওয়ার কথা।
এছাড়া পুরোনো ফেরির পরিবর্তে আরও ১৫টি মিডিয়াম ফেরি, ৫টি ইউটিলিটি ফেরি এবং উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য ২টি রোপ্যাক্স ফেরি নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আগামী বছরের শুরুতে পুরোপুরি চালু হতে পারে পায়রা বন্দর
পায়রা বন্দর পুরোপুরি চালুর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নৌমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, বন্দরের জেটি থেকে ঢাকা-কুয়াকাটা সড়কের সংযোগ স্থাপনে আন্ধারমানিক নদীর ওপর ১ হাজার ১৮০ মিটার দীর্ঘ চার লেনের সেতু এবং ৬ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার ছয় লেনের টার্মিনাল সংযোগ সড়কের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এ কাজ শেষ হলে আগামী বছরের শুরুতে পায়রা বন্দর পুরোপুরি চালু হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
নৌমন্ত্রী আরও বলেন, রাবনাবাদ চ্যানেলের নাব্যতা ধরে রাখা এবং বন্দরের নিজস্ব খনন সক্ষমতা তৈরির জন্য খননযন্ত্র কেনার অনুমোদন পাওয়া গেলে ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে পায়রা বন্দরে সব ধরনের জাহাজ চলাচল সম্ভব হবে।
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 
























