একঘেয়ে লুক বদলাতে হেয়ার কালার এখন অনেকের কাছেই জনপ্রিয় একটি পছন্দ। তবে এই রঙের পেছনে থাকা রাসায়নিক উপাদান চুলের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। অনেকেই অভিযোগ করেন, রং করার পর চুল ধীরে ধীরে রুক্ষ, খসখসে ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, রাসায়নিক রঙের কারণে চুলে শুষ্কতা বা ড্রাইনেস হওয়া স্বাভাবিক একটি বিষয়।
চুল কেন নষ্ট হয়?
অধিকাংশ হেয়ার ডাই-এ হাইড্রোজেন পারক্সাইড এবং অ্যামোনিয়া থাকে। এসব রাসায়নিক চুলের বাইরের স্তর কিউটিকেল আলগা করে দেয়। সুস্থ চুলে কিউটিকেল মসৃণ থাকে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখে। কিন্তু রং করার ফলে এই স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা কমে যায় এবং চুল ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।
চিকিৎসকদের মতে, রঙ করার চেয়েও ব্লিচিং প্রক্রিয়া চুলের প্রাকৃতিক গঠন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে।
কালার করা চুলের যত্ন যেভাবে নেবেন
১. সালফেট-মুক্ত শ্যাম্পু
সাধারণ শ্যাম্পু চুলে আরও রুক্ষতা তৈরি করতে পারে। তাই রং করা চুলে সালফেট-মুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করা ভালো।
২. প্রোটিন হেয়ার মাস্ক
ক্ষতিগ্রস্ত চুল পুনরুদ্ধারে সপ্তাহে অন্তত একদিন প্রোটিন সমৃদ্ধ হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।
৩. হিট স্টাইলিং এড়িয়ে চলা
রং করার অন্তত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে স্ট্রেইটনার বা হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভালো।
৪. সিরামের ব্যবহার
রোদ ও দূষণ থেকে চুলকে সুরক্ষিত রাখতে নিয়মিত হেয়ার সিরাম বা লিভ-ইন কন্ডিশনার ব্যবহার করা উচিত।
চিকিৎসকদের সতর্কতা
যে কোনো ব্র্যান্ডের হেয়ার কালারই হোক না কেন, ঘন ঘন রাসায়নিক ব্যবহার চুলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। রং করার পর চুলকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া জরুরি। অল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার রং করলে চুল স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সূত্র: এই সময়
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 

























