নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৩২ রানে ৫ উইকেট শিকার করে বাংলাদেশকে ছয় উইকেটের বড় জয় উপহার দেন পেসার নাহিদ রানা। পুরো স্পেলে ধারাবাহিকভাবে ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করে নজর কাড়েন তিনি।
শুধুমাত্র একবার নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার নিক কেলিকে দেওয়া একটি ধীরগতির ডেলিভারি ছিল ১১২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। তা ছাড়া পুরো সময় জুড়েই নিজের গতির ধার বজায় রাখেন এই তরুণ পেসার।
বাংলাদেশের প্রচণ্ড গরমেও নিজের গতি ধরে রাখার রহস্য হিসেবে উন্নত ফিটনেসকেই গুরুত্ব দিয়েছেন নাহিদ। ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যেও একই তালে বোলিং করে গেছেন তিনি।
ম্যাচ শেষে নাহিদ বলেন, প্রথমেই আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাকে ফিট রেখেছেন। ফিটনেস নিয়ে আমি অনুশীলনের বাইরে ও অনুশীলনের সময় কাজ করি। ট্রেইনারদের সঙ্গে আলোচনা করি কীভাবে আরও উন্নতি করা যায়, যেন ম্যাচে বল করতে গিয়ে ক্লান্ত না হই। অবসর সময়ে জিম, দৌড় ও নিজেকে ঠিক রাখার চেষ্টা করি।
দলের জন্য অবদান রাখাকেই নিজের মূল লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি সবসময় চেষ্টা করি এমনভাবে পারফর্ম করতে যাতে দলের উপকার হয়। একটি স্পেল বা একটি ওভার—যেকোনো কিছুই ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারে। উইকেটের চেয়ে দলের জয়ে অবদান রাখতে পারাটাই আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
নিজের উন্নত ইয়র্কার প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমি স্কিল উন্নত করার চেষ্টা করছি। কোচদের সঙ্গে কাজ করছি এবং অনুশীলনে ইয়র্কার নিখুঁতভাবে করতে পারলে ম্যাচেও তা প্রয়োগ করি।
ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইনজুরি আগে থেকে জানিয়ে আসে না। তবে বিসিবির ফিজিও ও ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট টিম আমাদের ম্যাচ সংখ্যা ও ফিটনেস নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে।
kalprakash.com/SS
স্পোর্টস ডেস্ক 





















