বাংলাদেশ ০১:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

লাশ লুকাতে সহযোগিতা করেন নাতি, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

নাটোরের সিংড়ায় টয়লেটের গর্ত খোঁড়াকে কেন্দ্র করে দুই ছেলের বিরোধে বড় ছেলের পক্ষ নেওয়ায় ৭৫ বছর বয়সী মা মারিয়া বেগম ওরফে শরিফাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তারই মেঝ ছেলে জনাব আলীর বিরুদ্ধে। হত্যার পর মরদেহ প্রথমে টয়লেটের গর্তে লুকিয়ে রাখা হয়, পরে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে বস্তাবন্দি করে পাশের ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে সিংড়া থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক

পুলিশ জানায়, উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের আগপাড়া শেরকোল গ্রামে বাড়ির সীমানায় টয়লেটের গর্ত খোঁড়া নিয়ে বড় ছেলে শহিদুল ইসলাম ও মেঝ ছেলে জনাব আলীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ সময় মা মারিয়া বেগম বড় ছেলের পক্ষ নিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন জনাব আলী।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৫ মে রাত ৯টার দিকে জনাব আলী তার মাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ টয়লেটের গর্তে ফেলে স্লাব দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। প্রায় ১০ দিন পর দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে জনাব আলী তার ছেলে আল আমিনের সহায়তায় গভীর রাতে মরদেহ বস্তাবন্দি করে বাড়ির পাশের কচুরিপানায় ভরা ডোবায় ফেলে দেন।

নিখোঁজের ১৫ দিন পর, গত ৯ জুন ওই ডোবা থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের চার ছেলে ও স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত হয়।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের মেয়ে মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় জনাব আলী ও তার ছেলে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

kalprakash.com/SAS

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
লাশ লুকাতে সহযোগিতা করেন নাতি, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

লাশ লুকাতে সহযোগিতা করেন নাতি, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: ১১:০০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

নাটোরের সিংড়ায় টয়লেটের গর্ত খোঁড়াকে কেন্দ্র করে দুই ছেলের বিরোধে বড় ছেলের পক্ষ নেওয়ায় ৭৫ বছর বয়সী মা মারিয়া বেগম ওরফে শরিফাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তারই মেঝ ছেলে জনাব আলীর বিরুদ্ধে। হত্যার পর মরদেহ প্রথমে টয়লেটের গর্তে লুকিয়ে রাখা হয়, পরে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে বস্তাবন্দি করে পাশের ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে সিংড়া থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক

পুলিশ জানায়, উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের আগপাড়া শেরকোল গ্রামে বাড়ির সীমানায় টয়লেটের গর্ত খোঁড়া নিয়ে বড় ছেলে শহিদুল ইসলাম ও মেঝ ছেলে জনাব আলীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ সময় মা মারিয়া বেগম বড় ছেলের পক্ষ নিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন জনাব আলী।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৫ মে রাত ৯টার দিকে জনাব আলী তার মাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ টয়লেটের গর্তে ফেলে স্লাব দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। প্রায় ১০ দিন পর দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে জনাব আলী তার ছেলে আল আমিনের সহায়তায় গভীর রাতে মরদেহ বস্তাবন্দি করে বাড়ির পাশের কচুরিপানায় ভরা ডোবায় ফেলে দেন।

নিখোঁজের ১৫ দিন পর, গত ৯ জুন ওই ডোবা থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের চার ছেলে ও স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত হয়।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের মেয়ে মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় জনাব আলী ও তার ছেলে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

kalprakash.com/SAS

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
লাশ লুকাতে সহযোগিতা করেন নাতি, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার