বাংলাদেশ ০২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo মারিশ্যায় বিজিবির অভিযানে বিদেশি মদ, সিগারেট ও কসমেটিকস উদ্ধার Logo পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য প্রফেসর ড. ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার Logo মা ও শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পুলিশের হেফাজতে Logo পাবনায় মাদক সেবনের দায়ে এক যুবকের ২ মাসের কারাদণ্ড Logo দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে কৃষক দল নেতা নিহত, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন বিএনপি নেতা Logo অযৌক্তিক ফি বৃদ্ধি বন্ধের দাবিতে তেজগাঁও কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ Logo বাজারে তীব্র যানজট, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ Logo মাদকবিরোধী অভিযানে সাফল্য: ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার Logo কাপ্তাই হ্রদে নৌভ্রমণের সময় চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo জাবির সমাজবিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন শরিফুল হুদা

জাপানে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর বড় কম্পনের আশঙ্কা, সতর্কতা জারি

জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আগামী এক সপ্তাহে আরও বড় ধরনের কম্পনের ঝুঁকি বেড়েছে বলে সতর্ক করেছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা। সোমবারের এ ভূমিকম্পের পর সুনামির আশঙ্কায় উপকূলীয় এলাকা থেকে হাজারো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ভূমিকম্পটি আঘাত হানে ইওয়াতে প্রেফেকচারের উপকূলবর্তী সাগরে, যা রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ৫৩০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। কম্পনের পর সর্বোচ্চ ৮০ সেন্টিমিটার উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হলেও শুরুতে ৩ মিটার পর্যন্ত ঢেউয়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহে আরও শক্তিশালী ভূমিকম্প হতে পারে, যার মাত্রা ৮.০ বা তার বেশি হওয়ার ঝুঁকি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি। ফলে বড় ধরনের সুনামির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সমুদ্রের নিচে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এর প্রভাবে হনশু ও হক্কাইদো অঞ্চলে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। রাজধানী টোকিওতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

সতর্কতা জারির পর অন্তত ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকা ছেড়ে উঁচু স্থানে সরে যেতে বলা হয়। কয়েক ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হলেও পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়রা জানান, সতর্কবার্তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ নিরাপদ স্থানে ছুটে যান। বিভিন্ন এলাকায় লাউডস্পিকারের মাধ্যমে সতর্কতা প্রচার করা হয় এবং অনেক কর্মস্থল আগেভাগে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ভূমিকম্পের কারণে কিছু বুলেট ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রায় ১০০টি বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন জাপানের মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল প্যাসিফিক রিং অব ফায়ারে অবস্থিত। দেশটিতে বছরে প্রায় ১,৫০০টি ভূমিকম্প ঘটে, যা বিশ্বে ৬.০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের প্রায় ১০ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে একই অঞ্চলের কাছাকাছি ৯.০ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন এবং ফুকুশিমায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বড় কম্পনের পর দ্রুত সতর্কতা ও সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

kalprakash.com/SS

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
জাপানে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর বড় কম্পনের আশঙ্কা, সতর্কতা জারি
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

মারিশ্যায় বিজিবির অভিযানে বিদেশি মদ, সিগারেট ও কসমেটিকস উদ্ধার

জাপানে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর বড় কম্পনের আশঙ্কা, সতর্কতা জারি

প্রকাশিত: ১১:৩৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আগামী এক সপ্তাহে আরও বড় ধরনের কম্পনের ঝুঁকি বেড়েছে বলে সতর্ক করেছে দেশটির আবহাওয়া সংস্থা। সোমবারের এ ভূমিকম্পের পর সুনামির আশঙ্কায় উপকূলীয় এলাকা থেকে হাজারো মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ভূমিকম্পটি আঘাত হানে ইওয়াতে প্রেফেকচারের উপকূলবর্তী সাগরে, যা রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ৫৩০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। কম্পনের পর সর্বোচ্চ ৮০ সেন্টিমিটার উচ্চতার সুনামি ঢেউ রেকর্ড করা হলেও শুরুতে ৩ মিটার পর্যন্ত ঢেউয়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহে আরও শক্তিশালী ভূমিকম্প হতে পারে, যার মাত্রা ৮.০ বা তার বেশি হওয়ার ঝুঁকি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি। ফলে বড় ধরনের সুনামির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সমুদ্রের নিচে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এর প্রভাবে হনশু ও হক্কাইদো অঞ্চলে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। রাজধানী টোকিওতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

সতর্কতা জারির পর অন্তত ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকা ছেড়ে উঁচু স্থানে সরে যেতে বলা হয়। কয়েক ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা তুলে নেওয়া হলেও পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়রা জানান, সতর্কবার্তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ নিরাপদ স্থানে ছুটে যান। বিভিন্ন এলাকায় লাউডস্পিকারের মাধ্যমে সতর্কতা প্রচার করা হয় এবং অনেক কর্মস্থল আগেভাগে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ভূমিকম্পের কারণে কিছু বুলেট ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রায় ১০০টি বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন জাপানের মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল প্যাসিফিক রিং অব ফায়ারে অবস্থিত। দেশটিতে বছরে প্রায় ১,৫০০টি ভূমিকম্প ঘটে, যা বিশ্বে ৬.০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের প্রায় ১০ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে একই অঞ্চলের কাছাকাছি ৯.০ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে ১৮ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন এবং ফুকুশিমায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বড় কম্পনের পর দ্রুত সতর্কতা ও সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

kalprakash.com/SS

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
জাপানে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর বড় কম্পনের আশঙ্কা, সতর্কতা জারি