জ্বালানি তেল ও ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি গ্যাসের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং অবিলম্বে পূর্বের মূল্য পুনর্বহালের দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার জনস্বার্থের তোয়াক্কা না করে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম একলাফে লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে মাত্র ১৭ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে চরম দুর্বিষহ করে তুলেছে। আমরা এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
তারা আরও বলেন, সরকার একদিকে দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুত থাকার দাবি করছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ ও গাড়িচালকরা তেলের জন্য হাহাকার করছে। এতে স্পষ্ট হয় যে সরকার হয় মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে, অথবা অসাধু সিন্ডিকেটের কাছে নতি স্বীকার করে জনগণের ওপর বাড়তি দামের দায় চাপিয়ে দিচ্ছে। জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় শুরু থেকেই সরকারের চরম ব্যর্থতার কারণে জনগণকে এর ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জ্বালানি তেলের এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং কৃষিখাতে সেচ ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার ফলে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি হবে, যার কারণে নিত্যপণ্যের দাম ভোক্তাদের নাগালের বাইরে চলে যাবে। শিল্প-কারখানার ব্যয় বেড়ে বাজারে সব পণ্যের দাম আরও বাড়বে। পাশাপাশি এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়াবে। ফলে এই সিদ্ধান্তকে তারা জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে উল্লেখ করেন।
kalprakash.com/SS
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















