হাম শ্বাসতন্ত্রের একটি ভাইরাল সংক্রমণ এবং এটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। সংক্রামিত ব্যক্তির লালা বা শ্লেষ্মার সংস্পর্শে এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
হামের একটি ক্লাসিক লক্ষণ হলো ত্বকে ফুসকুড়ি। এই ফুসকুড়ি সাধারণত লালচে, চুলকানিযুক্ত দানা আকারে হয় এবং প্রায় ৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। হামের অন্যান্য লক্ষণের মধ্যে রয়েছে জ্বর, আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, পেশিতে ব্যথা, চোখ লাল হওয়া এবং মুখের ভেতরে সাদা দাগ।
হামে আক্রান্ত হলে করণীয়
হামের কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। সাধারণত ভাইরাসটি এবং এর উপসর্গ ২–৩ সপ্তাহের মধ্যে ধীরে ধীরে সেরে যায়। তবে লক্ষণ উপশমে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে—
- পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া
- বেশি করে তরল পান করা (পানি, স্যালাইন, স্যুপ ইত্যাদি)
- জ্বর ও ব্যথা কমানোর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা
- প্রয়োজন হলে ভিটামিন-এ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা (ডাক্তারের পরামর্শে)
হাম থাকলে রোগীকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা জরুরি, যাতে সংক্রমণ না ছড়ায়। বিশেষ করে শিশুদের স্কুল বা ডে-কেয়ারে না পাঠিয়ে বাসায় রাখা উচিত।
যদি উপসর্গ বেশি গুরুতর হয় বা শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত দুর্বলতা, খাওয়ায় সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 
























