বাংলাদেশ ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবানে সাংগ্রাইং উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী

ছবিঃ সংগৃহীত

বান্দরবান রাজার মাঠে সাংগ্রাই উপলক্ষে মৈত্রী পানিবর্ষণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পার্বত্য মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে রাজার মাঠে মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবের উদ্বোধন করেন পার্বত্য মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি এমপি, পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রহমানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ এবং উৎসব উপভোগ করতে আসা হাজারো স্থানীয় জনগণ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আদর্শ হলো সকল ধর্মের মানুষ একসঙ্গে স্বাধীনভাবে বসবাস করবে। তিনি আরও বলেন, সমাজের বিভাজন ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পার্বত্যাঞ্চলে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের উৎসবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এদিকে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি এমপি বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মারমা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব সাংগ্রাইং। সকল ভেদাভেদ ভুলে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে সাংগ্রাইং উদযাপিত হয়ে থাকে পার্বত্যাঞ্চলে। মারমা সম্প্রদায় কালের পরিক্রমায় সাংগ্রাইং-এর ঐতিহ্য লালন করে আসছে।

মৈত্রী পানিবর্ষণের মাধ্যমে উৎসবের শুরু হয়। সারাবছর এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে শত শত মারমা জনগণ মৈত্রী পানিবর্ষণে অংশগ্রহণ করেন। সন্ধ্যায় আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্ছ্বসিত তরুণ-তরুণীরা নেচে-গেয়ে পুরনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

বান্দরবানে সাংগ্রাইং উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৫:২১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবান রাজার মাঠে সাংগ্রাই উপলক্ষে মৈত্রী পানিবর্ষণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পার্বত্য মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে রাজার মাঠে মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবের উদ্বোধন করেন পার্বত্য মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি এমপি, পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রহমানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ এবং উৎসব উপভোগ করতে আসা হাজারো স্থানীয় জনগণ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আদর্শ হলো সকল ধর্মের মানুষ একসঙ্গে স্বাধীনভাবে বসবাস করবে। তিনি আরও বলেন, সমাজের বিভাজন ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পার্বত্যাঞ্চলে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের উৎসবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এদিকে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি এমপি বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মারমা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব সাংগ্রাইং। সকল ভেদাভেদ ভুলে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে সাংগ্রাইং উদযাপিত হয়ে থাকে পার্বত্যাঞ্চলে। মারমা সম্প্রদায় কালের পরিক্রমায় সাংগ্রাইং-এর ঐতিহ্য লালন করে আসছে।

মৈত্রী পানিবর্ষণের মাধ্যমে উৎসবের শুরু হয়। সারাবছর এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে শত শত মারমা জনগণ মৈত্রী পানিবর্ষণে অংশগ্রহণ করেন। সন্ধ্যায় আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্ছ্বসিত তরুণ-তরুণীরা নেচে-গেয়ে পুরনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানান।