বাংলাদেশ ০৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo জবিতে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা Logo কুবিতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, সাক্ষাৎকারে ডাক পেলেন যেসব শিক্ষার্থী Logo নও মুসলিম না হিন্দু— মরদেহ সৎকার নিয়ে দ্বন্দ্ব, ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি Logo কুবির ইকোনমিক্স অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে সাইফুল-গিয়াস Logo কবিরাজির ফাঁদে কিশোরীর ২৭ ভরি স্বর্ণ লুট, প্রতারণা চক্রের হদিস Logo কুবিতে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিশ্ববিদ্যালয় পর্ব শুরু আজ Logo নাজিরপুরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এমপি মাসুদ সাঈদীর মতবিনিময় Logo বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন, গা ঢাকা যুবক Logo জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসির আধুনিকায়ন Logo আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাল্টিমিডিয়া ইউনিট

দুর্বল ডলার ও ভূরাজনৈতিক আশাবাদে স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বগতি

  • কাল প্রকাশ
  • প্রকাশিত: ১১:০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক বাজারে বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম বেড়েছে। ডলারের দরপতন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত অবসানের সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে বাড়তে থাকা আশাবাদ—এই দুই কারণে স্বর্ণবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

বাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, স্পট গোল্ডের দাম ০.৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮২১ দশমিক ৪৪ ডলারে। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার ০.৪ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৮৪৪ দশমিক ৪০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলার ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে আসায় অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা তুলনামূলক সস্তা হয়েছে। পাশাপাশি ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদহার সামান্য কমে যাওয়াও স্বর্ণের দামে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।

ওয়ান্ডার জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আশাবাদই বর্তমানে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি। তার মতে, স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৯০০ ডলার অতিক্রম করলে তা ৫ হাজার ডলারের মনস্তাত্ত্বিক সীমার দিকে এগোতে পারে।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসান নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছে। তবে তেহরান আপসহীন অবস্থানে থাকলে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোরও সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। যদিও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিকের নিচে রয়েছে।

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর স্বর্ণের দাম ৮ শতাংশের বেশি কমেছিল। জ্বালানি মূল্যের ঊর্ধ্বগতি থেকে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা এবং সুদের হার উচ্চ থাকার সম্ভাবনা—এই দুই কারণে বাজারে চাপ তৈরি হয়েছিল।

স্বর্ণ সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হলেও, উচ্চ সুদের হার বিনিয়োগকারীদের কাছে এই ধাতুর আকর্ষণ কমিয়ে দেয়।

বর্তমানে মার্কিন বাজারে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা অনেকটাই কমে এসেছে। ট্রেডাররা চলতি বছরে ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদ কমার সম্ভাবনা ২৯ শতাংশ হিসেবে দেখছেন, যেখানে যুদ্ধের আগে দু’বার সুদ কমার প্রত্যাশা ছিল।

অন্যদিকে, রূপার দাম ১.৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮০ দশমিক ৪১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনাম ১.২ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ১৩৫ দশমিক ৫৮ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ০.৯ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৫৮৭ দশমিক ৩৯ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

জবিতে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা

দুর্বল ডলার ও ভূরাজনৈতিক আশাবাদে স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বগতি

প্রকাশিত: ১১:০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম বেড়েছে। ডলারের দরপতন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত অবসানের সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে বাড়তে থাকা আশাবাদ—এই দুই কারণে স্বর্ণবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

বাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, স্পট গোল্ডের দাম ০.৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮২১ দশমিক ৪৪ ডলারে। একই সময়ে জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার ০.৪ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৮৪৪ দশমিক ৪০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলার ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে আসায় অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা তুলনামূলক সস্তা হয়েছে। পাশাপাশি ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদহার সামান্য কমে যাওয়াও স্বর্ণের দামে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।

ওয়ান্ডার জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আশাবাদই বর্তমানে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি। তার মতে, স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৯০০ ডলার অতিক্রম করলে তা ৫ হাজার ডলারের মনস্তাত্ত্বিক সীমার দিকে এগোতে পারে।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসান নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছে। তবে তেহরান আপসহীন অবস্থানে থাকলে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোরও সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। যদিও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এখনও স্বাভাবিকের নিচে রয়েছে।

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর স্বর্ণের দাম ৮ শতাংশের বেশি কমেছিল। জ্বালানি মূল্যের ঊর্ধ্বগতি থেকে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা এবং সুদের হার উচ্চ থাকার সম্ভাবনা—এই দুই কারণে বাজারে চাপ তৈরি হয়েছিল।

স্বর্ণ সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হলেও, উচ্চ সুদের হার বিনিয়োগকারীদের কাছে এই ধাতুর আকর্ষণ কমিয়ে দেয়।

বর্তমানে মার্কিন বাজারে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা অনেকটাই কমে এসেছে। ট্রেডাররা চলতি বছরে ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদ কমার সম্ভাবনা ২৯ শতাংশ হিসেবে দেখছেন, যেখানে যুদ্ধের আগে দু’বার সুদ কমার প্রত্যাশা ছিল।

অন্যদিকে, রূপার দাম ১.৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮০ দশমিক ৪১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনাম ১.২ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ১৩৫ দশমিক ৫৮ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ০.৯ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৫৮৭ দশমিক ৩৯ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স

kalprakash.com/SS