বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব বিঝু, বৈসু, সাংগ্রাই, চাংক্রান ও সাংক্রান উপলক্ষে প্রতি বছর ১৩–১৬ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণার দাবিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে আদিবাসী ছাত্র সংসদ।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকাল চারটায় উপাচার্য দপ্তরে তারা এ স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনে এসব উৎসবের রয়েছে বিশেষ ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব। এগুলো শুধু নববর্ষ উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে বাংলা নববর্ষ (১৪ এপ্রিল) উপলক্ষে বাৎসরিক সাধারণ ছুটি থাকলেও বিঝু, বৈসু, সাংগ্রাই, চাংক্রান ও সাংক্রানসহ আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্যান্য প্রধান উৎসবসমূহ ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। ফলে কুবিতে অধ্যয়নরত আদিবাসী শিক্ষার্থীরা এসব উৎসব যথাযথভাবে উদযাপনে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, “একাডেমিক ক্যালেন্ডার ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হওয়ায় চলতি বছরে নতুন করে ছুটি যুক্ত করা সম্ভব নয়। তবে আগামী বছর নতুন ক্যালেন্ডার প্রণয়নের সময় বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে।”
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, “তোমাদের জন্য এবার তিনদিনের ঐচ্ছিক ছুটি বরাদ্দ রয়েছে। চাইলে স্মারকলিপি জমা দিয়ে তা গ্রহণ করতে পারবে।”
বাবলু দেব, কুবি প্রতিনিধি 























