ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপের মধ্যেও ইরান উদযাপন করল ইসলামিক রিপাবলিক ডে। বুধবার (১ এপ্রিল) দেশজুড়ে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বার্ষিকী উদযাপন করেন। তেহরানে সরকারি সমর্থকরা উত্তোলন করল দেশের সবচেয়ে বড় পতাকা, যার উচ্চতা ১৫০ মিটার এবং ওজন ৩০০ কেজি।
১৯৭৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে ইরানে ইসলামি বিপ্লব সংঘটিত হয়। শাহ শাসনের পতনের দুই মাস পর অনুষ্ঠিত গণভোটে ৯৮.২ শতাংশ ভোটার ‘ইসলামিক প্রজাতন্ত্র’ সমর্থন করেন। এরপর ১ এপ্রিল ইরানে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা দেন খোমেনি।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে রাজধানী তেহরানে সরকারপন্থি হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় সমাবেশে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একই রাতে সাবেক দূতাবাসে হামলা চালায়, তাতেও মানুষের উদ্দীপনা কমে যায়নি।
সমাবেশে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি সমর্থকদের সাহস ও মনোবল বাড়াতে মিছিলে যোগ দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বার্তা বিনিময় করছেন। তবে এটি কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা নয়।
১৯৭৯ সালের বিপ্লবের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনির পুত্র হাসান খোমেনি বলেন, “ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি রাতে রাস্তায় থাকা অপরিহার্য।” সমাবেশে উপস্থিতরা ধর্মীয় স্লোগান ও ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক’, ‘ইসরাইল ধ্বংস হোক’ স্লোগান দেন।
এদিন ইরানজুড়ে ছোট-বড় সব শহরেই সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করা হয়। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মানুষরা অংশ নেন প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























