বাংলাদেশ ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ Logo ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভ, সেই নারীর বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা Logo মণিরামপুরে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন Logo ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিয়ামকে ফোনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ Logo চাটমোহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড Logo পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ Logo নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সহকারী শিক্ষিকার বদলির দাবিতে মানববন্ধন Logo সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনার একনেক অনুমোদনের দাবিতে পাঁচ জেলায় গণসমাবেশ Logo এক আইডিতে মিলবে সব সেবা

মুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদী ও প্রকৃতি ছিল অকুতোভয় সহযোদ্ধা

মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন ও পশুর নদীসহ বাংলার প্রাণপ্রকৃতি যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল, তা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন মোংলার বিশিষ্টজনরা। শুধু পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নয়, বাংলার প্রতিটি নদ-নদী ও অরণ্য সেদিন মুক্তিকামী মানুষের নিরাপদ ঠিকানা ও গেরিলা যুদ্ধের শক্তি হয়ে উঠেছিল।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে মোংলার মালগাজি মিশনবাড়ি মাঠে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা। পরিবেশবাদী সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ এবং পশুর রিভার ওয়াটারকিপার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এস এম মাসুদ রানা, উপজেলা কৃষি অফিসার প্রশান্ত কুমার হালদার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার শাহরিয়ার আলম, বিএনপি নেতা ও ক্রীড়াবিদ শেখ রুস্তুম আলী এবং স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও উন্নয়ন ব্যক্তিত্বরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কেবল বীরত্বের নয়, বরং আমাদের প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের নাড়ির সম্পর্কেরও ইতিহাস। বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে সেই চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।”

সভাপতির বক্তব্যে মো. নূর আলম শেখ বলেন, “মুক্তিযোদ্ধাদের স্লোগান ছিল ‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’। সুন্দরবনের গহিন অরণ্য আর পশুর নদীর জোয়ার-ভাটা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের শত্রু মোকাবিলায় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এই প্রকৃতিকে রক্ষা করাও এখন আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

“মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফুটবল” স্লোগানে অনুষ্ঠিত এই প্রীতি ম্যাচে অংশগ্রহণ করে চাঁদপাই একাদশ বনাম মালগাজি একাদশ। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এবং প্রায় সহস্রাধিক ক্রীড়ামোদী দর্শক ও স্থানীয় জনসাধারণ অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

প্রীতি ফুটবল ম্যাচ শেষে মালগাজি ও ব্রাহ্মণমাঠ গ্রামের ৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

স্থানীয়রা বলেন, এই আয়োজনটি কেবল একটি ফুটবল ম্যাচ ছিল না, বরং স্থানীয় তরুণদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস এবং পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব ছড়িয়ে দেওয়ার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদী ও প্রকৃতি ছিল অকুতোভয় সহযোদ্ধা
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

মুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদী ও প্রকৃতি ছিল অকুতোভয় সহযোদ্ধা

প্রকাশিত: ০৯:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন ও পশুর নদীসহ বাংলার প্রাণপ্রকৃতি যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল, তা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন মোংলার বিশিষ্টজনরা। শুধু পদ্মা-মেঘনা-যমুনা নয়, বাংলার প্রতিটি নদ-নদী ও অরণ্য সেদিন মুক্তিকামী মানুষের নিরাপদ ঠিকানা ও গেরিলা যুদ্ধের শক্তি হয়ে উঠেছিল।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে মোংলার মালগাজি মিশনবাড়ি মাঠে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা। পরিবেশবাদী সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ এবং পশুর রিভার ওয়াটারকিপার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এস এম মাসুদ রানা, উপজেলা কৃষি অফিসার প্রশান্ত কুমার হালদার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার শাহরিয়ার আলম, বিএনপি নেতা ও ক্রীড়াবিদ শেখ রুস্তুম আলী এবং স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও উন্নয়ন ব্যক্তিত্বরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কেবল বীরত্বের নয়, বরং আমাদের প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের নাড়ির সম্পর্কেরও ইতিহাস। বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে সেই চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।”

সভাপতির বক্তব্যে মো. নূর আলম শেখ বলেন, “মুক্তিযোদ্ধাদের স্লোগান ছিল ‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা’। সুন্দরবনের গহিন অরণ্য আর পশুর নদীর জোয়ার-ভাটা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের শত্রু মোকাবিলায় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এই প্রকৃতিকে রক্ষা করাও এখন আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

“মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফুটবল” স্লোগানে অনুষ্ঠিত এই প্রীতি ম্যাচে অংশগ্রহণ করে চাঁদপাই একাদশ বনাম মালগাজি একাদশ। জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এবং প্রায় সহস্রাধিক ক্রীড়ামোদী দর্শক ও স্থানীয় জনসাধারণ অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

প্রীতি ফুটবল ম্যাচ শেষে মালগাজি ও ব্রাহ্মণমাঠ গ্রামের ৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

স্থানীয়রা বলেন, এই আয়োজনটি কেবল একটি ফুটবল ম্যাচ ছিল না, বরং স্থানীয় তরুণদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস এবং পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব ছড়িয়ে দেওয়ার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধে বাংলার নদ-নদী ও প্রকৃতি ছিল অকুতোভয় সহযোদ্ধা