আজ ২১ আগস্ট, শুক্রবার। মুসলিম উম্মাহর কাছে জুমার দিন অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় এ দিনের রয়েছে বিশেষ ফজিলত। একজন মুমিনের জন্য জুমার দিনটি ইবাদত, জিকির, কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ ও দোয়ার মাধ্যমে অতিবাহিত করা অত্যন্ত বরকতময়।
হাদিসে জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদার কথা গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন।” এ দিনেই হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়, তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে পৃথিবীতে প্রেরণ করা হয়। কিয়ামতও জুমার দিনেই সংঘটিত হবে বলে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমল জুমার দিনে মুসলমানদের জন্য বেশ কিছু বিশেষ আমল রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো উত্তমরূপে গোসল করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান, সুগন্ধি ব্যবহার এবং দ্রুত মসজিদে গিয়ে জামাতে জুমার নামাজ আদায় করা।
এ দিনে সুরা আল-কাহফ তিলাওয়াত করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। পাশাপাশি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করার জন্য হাদিসে বিশেষভাবে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
জুমার দিনের আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো দোয়া কবুলের মুহূর্ত থাকা। হাদিসে এমন একটি বিশেষ সময়ের কথা বলা হয়েছে, যখন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল করা হয়। তাই এ দিনে নিজের, পরিবারের, দেশের সার্বিক অগ্রগতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তিগফার করা উচিত। জুমার নামাজ মুসলমানদের সাপ্তাহিক একাত্মতা ও আত্মশুদ্ধির এক অনন্য সুযোগ।
kalprakash.com/IM