ভারতের কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত কুষ্টিয়ার চারজন ও সাভারের একজনের মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা।
শুক্রবার সন্ধ্যায় বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি ফেরদৌস হোসেন খান বলেন, কখন তাদের মরদেহ দেশে আসবে, তা এখনো তাদের জানানো হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৪০), তাঁর স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (৩৫), তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত, শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪) এবং সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার আদম আলীর ছেলে আহম্মেদ বাবু (৩৭)।
মরদেহ গ্রহণের জন্য শুক্রবার বিকেল থেকেই বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থান করছেন আহম্মেদ বাবুর স্বজনরা।
মরদেহ নিতে আসা আহম্মেদ বাবুর মেজো ভাই মনির হোসেন বলেন, সোমবার রাতে ব্যবসায়িক কাজে কলকাতা যান আহম্মেদ বাবু। সেখান থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। কিন্তু কলকাতার হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে বাবুর সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বুধবার দুপুরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে মোবাইল ফোনে তাঁর নিহত হওয়ার খবর জানানো হয়। পরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে নিহতের ছবি পাঠানো হলে পরিবারের পক্ষ থেকে বাবুকে শনাক্ত করা হয়।
মনির হোসেন বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে কলকাতায় যারা মরদেহ গ্রহণ করবেন, তাঁদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই মরদেহ গ্রহণ করে বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
স্বজনরা জানিয়েছেন, সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে শনিবার বিকেল ৪টার মধ্যে মরদেহগুলো বাংলাদেশে পাঠানো হতে পারে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর অপেক্ষায় বেনাপোলে স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।