যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার আবেদন করার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সংক্রান্ত তথ্য না দিলে আবেদন প্রত্যাখ্যান হতে পারে বলে জানিয়েছে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য গোপন করলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য অযোগ্য হওয়ার ঝুঁকির কথাও জানিয়েছে দূতাবাস।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ইউএস অ্যাম্বাসি ঢাকার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করা প্রয়োজন। এসব তথ্য না দিলে ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান হতে পারে এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রেও অযোগ্য হতে পারেন আবেদনকারী।
এর আগে দেওয়া আরেক বার্তায় ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় অতীত বা বর্তমানের কোনো ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের তথ্য গোপন না করে সম্পূর্ণ সত্য তথ্য দেওয়ার নির্দেশনা দেয় মার্কিন দূতাবাস।
দূতাবাস জানায়, কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীর অতীতের ইমিগ্রেশন ইতিহাস এবং যেকোনো আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে তথ্য যাচাই করতে পারেন। তাই ভিসা সাক্ষাৎকারে অসত্য তথ্য দেওয়া বা কোনো তথ্য গোপনের চেষ্টা না করার জন্য আবেদনকারীদের সতর্ক করা হয়েছে।
বার্তায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকারে সত্য কথা বলতে হবে। মিথ্যা তথ্য দিলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে পারে।
ভিসা প্রত্যাখ্যানের তথ্যও জানাতে হবে
মার্কিন ভিসার আবেদন ফরম পূরণ কিংবা সাক্ষাৎকারের সময় আগের কোনো ভিসা প্রত্যাখ্যান, অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান (ওভারস্টে) অথবা অন্য কোনো ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত জটিলতার তথ্য গোপন না করার ওপর জোর দিয়েছে দূতাবাস।
কর্তৃপক্ষের মতে, আবেদনকারীর দেওয়া তথ্য যাচাই করা হয়। ফলে অতীতের কোনো ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত তথ্য গোপন করে ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করলে তা পরবর্তী সময়ে ধরা পড়তে পারে।
তথ্য গোপন বা মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে ভিসা প্রত্যাখ্যানের পাশাপাশি ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও গুরুতর সমস্যা তৈরি হতে পারে।
kalprakash.com/IM