শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | সকাল ১০:৫৬:৩৪

মক্কায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চার বাংলাদেশির অভাবনীয় সাফল্য

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২০
শেয়ার: mail
মক্কায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চার বাংলাদেশির অভাবনীয় সাফল্য

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন চার বাংলাদেশি তরুণ-তরুণী। বিজয়ীরা হলেন—শেখ মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, মুসফিরা বিনতে মাহমুদ, মুহাম্মদ জাকারিয়া এবং রাবিতা বিনতে রমজান।

বুধবার (১৯ আগস্ট) পবিত্র মসজিদুল হারামে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মক্কা অঞ্চলের ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স সাউদ বিন মিশাল। এদিকে প্রথমবারের মতো পৃথকভাবে মক্কার হিলটন হোটেলে অনুষ্ঠিত নারী বিভাগের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রিন্সেস ফাহদাহ বিনতে ফালাহ আল হাথলিন।

সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ জানায়, বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার ৪৬তম আসর পাঁচটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহবিষয়ক মন্ত্রী ড. আব্দুল লতিফ আল-শেখ বিজয়ীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেন।

প্রতিযোগিতার তৃতীয় গ্রুপে (পূর্ণাঙ্গ কোরআন হিফজ, শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদ) যথাক্রমে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন শেখ মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ও মুসফিরা বিনতে মাহমুদ। তাঁরা প্রত্যেকে পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ১ লাখ ৮০ হাজার সৌদি রিয়াল।

অন্যদিকে চতুর্থ গ্রুপে (১৫ পারা হিফজ, শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদ) প্রথম স্থান অর্জন করেছেন হাফেজ মুহাম্মদ জাকারিয়া এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন রাবিতা বিনতে রমজান। প্রথম স্থান অর্জনকারী জাকারিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজার রিয়াল এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী রাবিতা পেয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার রিয়াল।

গত ৬ আগস্ট সৌদি বাদশাহ সালমানের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে প্রতিযোগিতার মূল পর্ব শুরু হয়। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন পুরুষ ও নারী প্রতিযোগী এতে অংশ নেন, যা আসরটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। পাঁচটি গ্রুপে মোট ৫০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

প্রথম স্থান অর্জনকারী হাফেজ মুহাম্মদ জাকারিয়া অনুভূতি প্রকাশ করে জানান, কোরআনের কারণেই একটি প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে তিনি আজ মক্কার পবিত্র ভূমিতে আসতে পেরেছেন এবং মসজিদুল হারামে বিশ্বের সেরা হাফেজদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বিজয়ী হওয়া তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি হাফেজদের এমন গৌরবময় অর্জন ধারাবাহিক। ২০২৪ সালে আনাছ বিন আতিক, ২০২৩ সালে ফয়সাল আহমেদ এবং ২০২২ সালে সালেহ আহমাদ তাকরীমসহ অনেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিজয়ের এ ধারা উজ্জ্বল রেখেছেন।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬ | Globe kalprakash.com

মক্কায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চার বাংলাদেশির অভাবনীয় সাফল্য

বিস্তারিত কমেন্টে