শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬ | ২৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৩ সফর, ১৪৪৮ | সন্ধ্যা ৬:৫৪:৪৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর যেন দলীয় ইতিহাস চর্চার কেন্দ্র না হয়: নাহিদ ইসলাম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৮
শেয়ার: mail
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর যেন দলীয় ইতিহাস চর্চার কেন্দ্র না হয়: নাহিদ ইসলাম

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর যেন কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের আখ্যান বা দলীয় ইতিহাস চর্চার কেন্দ্রে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে জোর দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, “এই জাদুঘরে যেন কোনো নির্দিষ্ট দলের ইতিহাস স্থান না পায়। এটিকে একটি নিরপেক্ষ ও প্রকৃত ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। অতীতে আমরা দেখেছি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়েও চরম দলীয়করণ করা হয়েছে। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পাঠ্যপুস্তক ও ইতিহাস বদলে দেওয়া হতো। কিন্তু এই জাতীয় স্মারক জাদুঘরের একটি সার্বজনীন ও জাতীয় চরিত্র থাকা অত্যন্ত জরুরি, যাতে সব নাগরিক একে নিজের বলে ধারণ করতে পারে এবং সত্য ইতিহাস উদ্ভাসিত হয়।”

আজ শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনের সময় এনসিপির প্রতিনিধিদলে সদস্যসচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জাদুঘরের বর্তমান অবকাঠামো ও প্রদর্শনী প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা পূর্বের পরিদর্শনগুলোর সাথে আজ কিছু মৌলিক পরিবর্তন দেখতে পেয়েছি, যা বর্তমান সরকার বাস্তবায়ন করেছে।”

জাদুঘরের নির্দিষ্ট কিছু প্রদর্শন সামগ্রী সরিয়ে ফেলা প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এখানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিভিন্ন সময়ে বিএসএফের হাতে নিহত বাংলাদেশীদের তালিকা ও স্মারকভিত্তিক একটি পৃথক সেগমেন্ট ছিল, যেখানে ফেলানী হত্যার একটি প্রতীকী ভাস্কর্যও স্থাপন করা হয়েছিল। এছাড়া ভারতের মোদি সরকারের স্বৈরাচারী নীতিবিরোধী বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রতিবাদের চিত্রও প্রদর্শিত ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই জিনিসগুলো গুম ও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকার হয়তো নির্দিষ্ট কোনো দেশকে সন্তুষ্ট বা খুশি করার উদ্দেশ্যে এটি করেছে। তবে আমরা স্পষ্ট বলতে চাই— অন্যান্য দেশের সাথে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক হতে হবে সম্পূর্ণ সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে, কোনো তোষণনীতির মাধ্যমে নয়।”

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward