শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬ | ২৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৩ সফর, ১৪৪৮ | দুপুর ৩:৪০:৫১

বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:০০
শেয়ার: mail
বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

দেশের কাঁচা বাজারগুলোতে অসাধু ব্যবসায়ীরা অপকৌশলে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে প্রান্তিক কৃষকদের জিম্মি করে ফেলেছে মন্তব্য করে তা ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “বাজার সিন্ডিকেট ও অসৎ মজুতদারির বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করা হবে। স্মরণ করা ভালো, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে কৃত্রিম মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সুতরাং যারা অবৈধ মজুতদারির কথা ভাবছেন, তারা পরিণতি চিন্তা করেই পা বাড়াবেন।”

আজ শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকূপায় ঐতিহ্যবাহী পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট ও আড়ত সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে কৃষক মাঠ থেকে ফসল ফলায়, অথচ বাজারে এনে সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে তারা ন্যায্য দাম পায় না। এখানে প্রতি মণ পাট বা পেঁয়াজে জোরপূর্বক অতিরিক্ত ২ কেজি পর্যন্ত তোলা হিসেবে কেটে রাখা হতো। এরপর আবার বাজারের তথাকথিত ঝাড়ুদার ও হিজড়ারা এসে চাপ দিয়ে টাকা ও পণ্য আদায় করত। ফলে কৃষক প্রতি মণে ৪৫ কেজি মালামাল দিতে বাধ্য হতো, যা চরম অন্যায্য ও জুলুম।”

তিনি কঠোর পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে আরও বলেন, “বাজারের এই রক্তচোষা সিন্ডিকেট আমরা চিরতরে উপড়ে ফেলব। ইতোমধ্যে জেলা ও উপজেলার প্রতিটি হাটে এই অসাধু প্রথা বন্ধের নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এরপরও কোনো অসাধু চক্র নিয়ম না মানলে কাউকে একচুল ছাড় দেওয়া হবে না। আর যেসকল ব্যবসায়ী তোলা না পেলে মালামাল কেনা বন্ধের হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বলব— আজই বাজার ছেড়ে চলে যান। আপনাদের বিকল্প সৎ ব্যবসায়ী এমনিতেই তৈরি হয়ে যাবে।”

হাট ও আড়ত পরিদর্শনকালে আইনমন্ত্রীর সাথে শৈলকূপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward