মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬ | ১৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৯ সফর, ১৪৪৮ | রাত ২:২৩:১৩

জবি অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বার্ষিকী পালিত

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৭:০০
শেয়ার: mail
জবি অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বার্ষিকী পালিত

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রশাসনের মাসব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের শ্রেণিকক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামীমা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রকৃত তাৎপর্য ও প্রেক্ষাপট নিয়ে আরও গভীর একাডেমিক গবেষণা হওয়া প্রয়োজন। গণ-অভ্যুত্থানে আত্মদানকারী শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে আমাদের সমাজ ও শিক্ষাঙ্গনে বৈষম্যহীন সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।”

শিক্ষার্থীদের বীরত্ব ও ভূমিকা স্মরণ করে উপাচার্য বলেন, “ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরাই সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে, যার পেছনে দেশের সাধারণ মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিল। তাই শিক্ষার্থীরাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আসল বীর।”

মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণ-অভ্যুত্থানের সম্পর্কের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান অর্জিত হলেও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার তুলনা চলে না। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত মূল আকাঙ্ক্ষাগুলো দীর্ঘদিন অপূর্ণ থাকার ফলেই মূলত জুলাইয়ের মতো অভ্যুত্থানের জন্ম হয়েছে। জুলাইয়ের অর্জনকে ধরে রেখে আমাদের বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের সঠিক চর্চা নিশ্চিত করতে হবে, কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা চরিত্র হননের জন্য যেন এই স্বাধীনতা অপব্যবহার না হয়।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত ও সামগ্রিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি গভীর ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “প্রতিষ্ঠার দুই দশক পার হলেও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য সমসাময়িক প্রতিষ্ঠানের তুলনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এই পিছিয়ে পড়া অবস্থা থেকে উত্তরণে সবাইকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।”

আলোচনা সভা শেষে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward