মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ৬ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ৯ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | সকাল ৭:৩৬:৫২
শিরোনাম
রাসুলুল্লাহ (সা.) যেসব মানুষকে সর্বোত্তম বলেছেন জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাবার কিসওয়া রক্ষার ঐতিহাসিক তামার আংটি মক্কার প্রদর্শনীতে ইসলামে মোহরের গুরুত্ব ও নির্ধারণের নিয়ম মেসির বিদায়ের ম্যাচে তাগলিয়াফিকোরও অবসরের ইঙ্গিত অনলাইন জুয়ার সাম্রাজ্যে কোটিপতি নাজিম, নিঃস্ব হচ্ছেন এলাকার তরুণরা কয়েকদিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ মঙ্গলবার রাজধানীর কয়েক এলাকায় ৫ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওঠেন, সকালে মিলল যুবকের মরদেহ রাসুলুল্লাহ (সা.) যেসব মানুষকে সর্বোত্তম বলেছেন জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাবার কিসওয়া রক্ষার ঐতিহাসিক তামার আংটি মক্কার প্রদর্শনীতে ইসলামে মোহরের গুরুত্ব ও নির্ধারণের নিয়ম মেসির বিদায়ের ম্যাচে তাগলিয়াফিকোরও অবসরের ইঙ্গিত অনলাইন জুয়ার সাম্রাজ্যে কোটিপতি নাজিম, নিঃস্ব হচ্ছেন এলাকার তরুণরা কয়েকদিন টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ মঙ্গলবার রাজধানীর কয়েক এলাকায় ৫ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওঠেন, সকালে মিলল যুবকের মরদেহ

রাসুলুল্লাহ (সা.) যেসব মানুষকে সর্বোত্তম বলেছেন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬
শেয়ার: mail
রাসুলুল্লাহ (সা.) যেসব মানুষকে সর্বোত্তম বলেছেন

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

মানুষের মর্যাদা শুধু সম্পদ, পদ-পদবি কিংবা সামাজিক পরিচয়ে নির্ধারিত হয় না। ইসলামে মানুষের প্রকৃত শ্রেষ্ঠত্ব নির্ভর করে তার ঈমান, আমল, চরিত্র ও মানুষের প্রতি আচরণের ওপর। রাসুলুল্লাহ (সা.) বিভিন্ন হাদিসে এমন কিছু গুণের কথা বলেছেন, যেসব গুণের অধিকারী মানুষকে ‘সর্বোত্তম’ বা ‘উত্তম’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এসব গুণ ব্যক্তি ও সমাজজীবনকে সুন্দর করার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে।

১. যে ব্যক্তি উত্তম চরিত্রের অধিকারী

মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম বড় মাপকাঠি হলো সুন্দর চরিত্র। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম তারা, যাদের চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর।’ (বুখারি, হাদিস: ৬০৩৫)

সুন্দর চরিত্র শুধু হাসিমুখে কথা বলার নাম নয়; বরং সত্যবাদিতা, নম্রতা, ক্ষমাশীলতা, ধৈর্য, আমানতদারি এবং মানুষের সঙ্গে ভালো আচরণও এর অন্তর্ভুক্ত।

২. যে ব্যক্তি কোরআন শেখে ও শেখায়

কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সে, যে কোরআন শেখে এবং শেখায়।’ (বুখারি, হাদিস: ৫০২৭)

৩. যে ব্যক্তি মানুষের সবচেয়ে বেশি উপকার করে

ইসলাম মানুষের উপকার করার প্রবণতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে। হাদিসে এসেছে, ‘মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম সে, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।’ (আল-মুজামুল আওসাত, তাবরানি, হাদিস: ৫৭৮৭)

৪. যে ব্যক্তি দীর্ঘ জীবন পেয়ে উত্তম আমল করে

দীর্ঘ জীবন তখনই কল্যাণকর, যখন তা আল্লাহর আনুগত্যে ব্যয় হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম সে, যার আয়ু দীর্ঘ এবং আমল সুন্দর।’ (তিরমিজি, হাদিস: ২৩৩০)

তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের নেক আমল, তওবা, ইবাদত ও সৎকাজও বাড়ানো উচিত। জীবনের প্রতিটি বছর যেন পরকালের পাথেয় বৃদ্ধির কারণ হয়।

৫. যে ব্যক্তি ঋণ পরিশোধে উত্তম

ইসলামে মানুষের আর্থিক অধিকার রক্ষার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে উত্তম সে, যে ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে উত্তম।’ (বুখারি, হাদিস: ২৩৯৩)

ঋণ নেওয়ার পর সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তা পরিশোধে গড়িমসি করা উচিত নয়। বরং পাওনাদারের অধিকার যথাযথভাবে আদায় করা এবং সুন্দর আচরণ করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য।

৬. যে ব্যক্তি পরিবারের কাছে উত্তম

মানুষের প্রকৃত চরিত্র সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পায় তার ঘরের মানুষের সঙ্গে আচরণে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সে, যে তার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম। আর আমি তোমাদের মধ্যে আমার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম।’ (তিরমিজি, হাদিস: ৩৮৯৫)

বাইরে মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করলেও ঘরের মানুষকে অবহেলা করা ইসলামের আদর্শ নয়। স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ভালো আচরণ করা উত্তম মুসলিমের অন্যতম গুণ।

৭. যে ব্যক্তি আগে সালাম দেয়

সালাম ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি সামাজিক আমল। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর নিকট মানুষের মধ্যে অধিক নিকটবর্তী সে, যে তাদের আগে সালাম দেয়।’ (আবু দাউদ, হাদিস: ৫১৯৭)

সালাম মানুষের মধ্যে ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ব সৃষ্টি করে। তাই ছোট-বড়, পরিচিত-অপরিচিত সবার সঙ্গে সালামের প্রচলন করা ইসলামের সুন্দর একটি শিক্ষা।

৮. যে ব্যক্তি অন্যকে খাবার খাওয়ায় ও সালামের উত্তর দেয়

অন্যকে খাবার খাওয়ানো এবং সালামের প্রচলন করা মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য সৃষ্টি করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে উত্তম তারা, যারা খাবার খাওয়ায় এবং সালামের উত্তর দেয়।’ (মুসনাদ আহমদ, হাদিস: ২৩৯২৬)

অতিথি, আত্মীয়, প্রতিবেশী কিংবা অভাবী মানুষের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নেওয়া সামাজিক সম্পর্ককে দৃঢ় করে। সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যকে খাওয়ানো তাই গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল।

৯. যে ব্যক্তি মানুষের সঙ্গে মিশে তাদের কষ্টে ধৈর্য ধরে

সমাজে বসবাস করলে মানুষের বিভিন্ন ধরনের আচরণের মুখোমুখি হতে হয়। এ ক্ষেত্রে ধৈর্য ধারণ করা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে মুমিন মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করে এবং তাদের কষ্টে ধৈর্য ধারণ করে, সে ওই মুমিনের চেয়ে উত্তম, যে মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করে না এবং তাদের কষ্টে ধৈর্য ধারণ করে না।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৪০৩২)

১০. যে ব্যক্তি মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক সংশোধন করে

মানুষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে বিরোধকে বাড়িয়ে না দিয়ে মীমাংসা করার চেষ্টা করা ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ কাজ। মহানবী (সা.) এ কাজকে সদকার চেয়ে উত্তম বলেছেন। (আবু দাউদ, হাদিস: ৪৯১৯)

আমাদের উচিত, এমন সব গুণ অর্জন করা, যেগুলোর অধিকারীদের রাসুলুল্লাহ (সা.) সত্যিকার অর্থে সর্বোত্তম বলেছেন।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

রাসুলুল্লাহ (সা.) যেসব মানুষকে সর্বোত্তম বলেছেন

বিস্তারিত কমেন্টে