বাংলাদেশ ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ‘ফার্মের মুরগী’ বিতর্কে আত্মপ্রকাশ করল ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ Logo মঠবাড়িয়ার আবাসিক হোটেলে অভিযান, মাদকদ্রব্যসহ আটক ২ Logo যাত্রীসংকটে ১৬ জুলাই থেকে যশোর-ঢাকা রুটে ফ্লাইট বন্ধ করছে ইউএস-বাংলা Logo সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জনের আত্মসমর্পণ Logo সাঁথিয়ায় সাংবাদিক আব্দুদ দাইন সরকারকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ Logo রুহিয়ায় চুরি হওয়া ষাঁড় গরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ Logo নওগাঁয় জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, নারীসহ আহত ৪ Logo গঙ্গাচড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষা উপকরণ পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা Logo এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান Logo আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম

মিঠাপুকুরে বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে গ্রেড অনুমোদনে গড়িমসির অভিযোগ

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী পদে কর্মরত এক শিক্ষিকা তাঁর প্রাপ্য গ্রেড অনুমোদনে বিলম্ব ও প্রশাসনিক গড়িমসির অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগকারী রায়হানা খাতুন তাঁর আবেদনে উল্লেখ করেন, তিনি ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সহকারী মৌলভী পদে যোগদান করেন। এরপর বিধি অনুযায়ী ১০ম গ্রেড থেকে ৯ম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করলেও প্রতিষ্ঠানের সুপারিনটেনডেন্ট দীর্ঘদিন ধরে তাঁর গ্রেড অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাচ্ছেন না।

আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সুপারিনটেনডেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এতে তিনি মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি করেন।

ভুক্তভোগী রায়হানা খাতুন ও তাঁর স্বামীর দাবি, বিষয়টি নিয়ে তাঁরা একাধিকবার মাদ্রাসার সুপারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তবে তিনি শুধু কালক্ষেপণ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, সুপার ১০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করেছিলেন। পরে তাঁরা ৬ হাজার টাকা দিলেও পরবর্তীতে সেই টাকা ফেরত দিয়ে গ্রেড অনুমোদনের বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। বরং বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করছেন। তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, সুপার নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে সময় দিচ্ছেন না এবং যোগাযোগের চেষ্টাও এড়িয়ে যাচ্ছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগকারীর প্রাপ্য গ্রেড অনুমোদনের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার শাফিউল আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

kalprakash.com/IM

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ফার্মের মুরগী’ বিতর্কে আত্মপ্রকাশ করল ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’

মিঠাপুকুরে বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে গ্রেড অনুমোদনে গড়িমসির অভিযোগ

প্রকাশিত: ০৪:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী পদে কর্মরত এক শিক্ষিকা তাঁর প্রাপ্য গ্রেড অনুমোদনে বিলম্ব ও প্রশাসনিক গড়িমসির অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগকারী রায়হানা খাতুন তাঁর আবেদনে উল্লেখ করেন, তিনি ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সহকারী মৌলভী পদে যোগদান করেন। এরপর বিধি অনুযায়ী ১০ম গ্রেড থেকে ৯ম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করলেও প্রতিষ্ঠানের সুপারিনটেনডেন্ট দীর্ঘদিন ধরে তাঁর গ্রেড অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাচ্ছেন না।

আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সুপারিনটেনডেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এতে তিনি মানসিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি করেন।

ভুক্তভোগী রায়হানা খাতুন ও তাঁর স্বামীর দাবি, বিষয়টি নিয়ে তাঁরা একাধিকবার মাদ্রাসার সুপারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তবে তিনি শুধু কালক্ষেপণ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, সুপার ১০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করেছিলেন। পরে তাঁরা ৬ হাজার টাকা দিলেও পরবর্তীতে সেই টাকা ফেরত দিয়ে গ্রেড অনুমোদনের বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। বরং বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করছেন। তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, সুপার নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে সময় দিচ্ছেন না এবং যোগাযোগের চেষ্টাও এড়িয়ে যাচ্ছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. পারভেজের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগকারীর প্রাপ্য গ্রেড অনুমোদনের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার শাফিউল আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

kalprakash.com/IM