সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষার মাধ্যমে এ পরীক্ষা শুরু হয়, যা চলে বেলা ১টা পর্যন্ত। দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে প্রায় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষা চলবে আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে।
সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার শুরু হয়েছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে নজরদারি রাখা হচ্ছে।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে পরীক্ষার্থী রয়েছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। এর মধ্যে—
- সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী: ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন
- মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী: ২ লাখ ৮৬৯ জন
গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১৯ হাজার ৪৭২ জন।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবারের পরীক্ষায় ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪০টি কেন্দ্র রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অনলাইন ডেস্ক 
















