বাংলাদেশ ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ Logo ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুক লাইভ, সেই নারীর বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা Logo মণিরামপুরে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন Logo ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সিয়ামকে ফোনে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ Logo চাটমোহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড Logo পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ Logo নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সহকারী শিক্ষিকার বদলির দাবিতে মানববন্ধন Logo সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু Logo তিস্তা মহাপরিকল্পনার একনেক অনুমোদনের দাবিতে পাঁচ জেলায় গণসমাবেশ Logo এক আইডিতে মিলবে সব সেবা

অপরাধ, অস্ত্র ও মাদকমুক্ত করতে এসপি ছুফি উল্লাহর ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা

অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর কেবল তদন্ত বা আসামি গ্রেফতারের প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে এখন ‘অপরাধ ঘটার আগেই’ তা প্রতিরোধের কৌশল গ্রহণ করেছে পাবনা জেলা পুলিশ। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।

পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ছুফি উল্লাহ দায়িত্ব গ্রহণের পর জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর নজরদারি ও সোর্স নেটওয়ার্ক পুনর্গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর ফলে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পাবনাকে অপরাধ, অস্ত্র ও মাদকমুক্ত করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এসপির নির্দেশনায় জেলার ১১টি থানায় নিয়মিতভাবে মাদক, জুয়া এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ও গভীর রাতে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, ফলে ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে বলে দাবি পুলিশের।

জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) তৎপরতাকেও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিবি পুলিশের সমন্বিত গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে বড় ধরনের অপরাধ বা চোরাচালানের পরিকল্পনা আগেভাগেই শনাক্ত করে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একসময় জেলার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধের অভিযোগ ছিল নিয়মিত। তবে সাম্প্রতিক ধারাবাহিক অভিযানের ফলে এসব অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং বেশ কিছু ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে বলেও জানা গেছে।

ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত হওয়ায় হাটবাজার ও ব্যবসায়িক এলাকায় এখন তুলনামূলক নিরাপদ পরিবেশ বিরাজ করছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বলেন, “পাবনা জেলাকে নিরাপদ ও শান্তিময় রাখা আমাদের মূল লক্ষ্য। অপরাধ দমনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। জেলা পুলিশের ১১টি থানা ও ডিবি একসঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ প্রতিরোধে আগাম তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।”

জেলা পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রমকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সুধী সমাজ। তাদের মতে, পেশাদার ও জনমুখী পুলিশিং অব্যাহত থাকলে পাবনা আরও নিরাপদ জেলায় পরিণত হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
অপরাধ, অস্ত্র ও মাদকমুক্ত করতে এসপি ছুফি উল্লাহর ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা
জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় স্কুল ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

অপরাধ, অস্ত্র ও মাদকমুক্ত করতে এসপি ছুফি উল্লাহর ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা

প্রকাশিত: ১২:৫৭:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর কেবল তদন্ত বা আসামি গ্রেফতারের প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে এখন ‘অপরাধ ঘটার আগেই’ তা প্রতিরোধের কৌশল গ্রহণ করেছে পাবনা জেলা পুলিশ। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।

পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ছুফি উল্লাহ দায়িত্ব গ্রহণের পর জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-এর নজরদারি ও সোর্স নেটওয়ার্ক পুনর্গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর ফলে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পাবনাকে অপরাধ, অস্ত্র ও মাদকমুক্ত করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এসপির নির্দেশনায় জেলার ১১টি থানায় নিয়মিতভাবে মাদক, জুয়া এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ও গভীর রাতে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, ফলে ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে বলে দাবি পুলিশের।

জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) তৎপরতাকেও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিবি পুলিশের সমন্বিত গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে বড় ধরনের অপরাধ বা চোরাচালানের পরিকল্পনা আগেভাগেই শনাক্ত করে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একসময় জেলার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধের অভিযোগ ছিল নিয়মিত। তবে সাম্প্রতিক ধারাবাহিক অভিযানের ফলে এসব অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং বেশ কিছু ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে বলেও জানা গেছে।

ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত হওয়ায় হাটবাজার ও ব্যবসায়িক এলাকায় এখন তুলনামূলক নিরাপদ পরিবেশ বিরাজ করছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বলেন, “পাবনা জেলাকে নিরাপদ ও শান্তিময় রাখা আমাদের মূল লক্ষ্য। অপরাধ দমনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। জেলা পুলিশের ১১টি থানা ও ডিবি একসঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ প্রতিরোধে আগাম তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।”

জেলা পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রমকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সুধী সমাজ। তাদের মতে, পেশাদার ও জনমুখী পুলিশিং অব্যাহত থাকলে পাবনা আরও নিরাপদ জেলায় পরিণত হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
অপরাধ, অস্ত্র ও মাদকমুক্ত করতে এসপি ছুফি উল্লাহর ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা