আল্লাহ তাআলার কাছে কোনো ইবাদতের পরিমাণ নয়, বরং তার কবুল হওয়াই প্রকৃত সফলতা বলে ইসলামে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, নবী ইবরাহিম (আ.) ও ইসমাঈল (আ.) কাবা নির্মাণের মতো মহান ইবাদত সম্পন্ন করার পরও আল্লাহর কাছে কবুলিয়তের জন্য দোয়া করেছিলেন।
তাই কোনো নেক আমল সম্পন্ন করার পর অহংকার না করে বিনয় ও ভয়ভরা হৃদয়ে আল্লাহর কাছে কবুলিয়তের জন্য দোয়া করা উচিত।
এ ক্ষেত্রে একটি বরকতময় দোয়া কোরআনে বর্ণিত হয়েছে—
رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ
উচ্চারণ: রাব্বানা তাকাব্বাল মিন্না ইন্নাকা আনতাস সামিউল আলিম। ওয়া তুব আলাইনা ইন্নাকা আনতাত তাওওয়াবুর রাহিম।
অর্থ: হে আমাদের রব, আপনি আমাদের পক্ষ থেকে আমাদের আমলগুলো কবুল করে নিন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। আর আমাদের তওবা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। (সূরা আল-বাকারা: ১২৭)
ইসলামী বিশেষজ্ঞদের মতে, ইবাদতের পর এই দোয়া পাঠ করা নবী-রাসুলদের সুন্নত। তাই নামাজ, রোজা, হজ, কোরবানি কিংবা যেকোনো নেক আমলের পর আন্তরিকভাবে এই দোয়া পড়া উচিত।
আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়া একটি ছোট আমলও মানুষের মুক্তি ও চিরস্থায়ী সফলতার জন্য যথেষ্ট হতে পারে বলে ধর্মীয় ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়।
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 























