বাংলাদেশ ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo হঠাৎ লাইভে এসে যা জানালেন মেয়র প্রার্থী ভিপি শাহীন! Logo নাটোরে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গণপিটুনি, পুলিশে সোপর্দ Logo চাটমোহরের মথুরাপুরে আশিকের মৃত্যু মামলায় ষড়যন্ত্রমুলক ফাঁসানো ও টাকা দাবির অভিযোগ Logo পাবনায় রিয়া হত্যা মামলার ৩ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার: গুম করার কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার জব্দ Logo শেষ মুহূর্তের গোলে নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ Logo ইরানের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান আমিরাতের Logo অর্থনৈতিক সংস্কারে নতুন সহায়তা চেয়ে আইএমএফের দ্বারস্থ বাংলাদেশ Logo মমতা ব্যানার্জীর দল তৃণমূল কংগ্রেস কি ভাঙনের দিকে এগোচ্ছে? Logo অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে দেখা করলেন সাগর-রুনির সন্তান মেঘ Logo গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে কত বাড়ল বিদ্যুতের দাম?

ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির ৫০টি প্রবেশপথ পুনরায় খুলল ইরান, সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

ক্ষেপণাস্ত্র

ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর প্রবেশপথ পুনরুদ্ধার করে ইরান আবারও তার সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে দেশটি ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের লক্ষ্যবস্তুতে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের ১৮টি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় মোট ৬৯টি প্রবেশপথ ক্ষতিগ্রস্ত বা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এর মধ্যে অন্তত ৫০টি প্রবেশপথ ইতোমধ্যেই পুনরায় খুলে ফেলেছে ইরান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ ধ্বংস এবং সংযোগ সড়কগুলো অকার্যকর করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম সীমিত করার চেষ্টা চালায়। তবে বুলডোজার ও ডাম্প ট্রাকসহ সাধারণ নির্মাণযন্ত্র ব্যবহার করে ইরান দ্রুত এসব ক্ষতি মেরামত করে নেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া দেখিয়েছে যে শুধু সুড়ঙ্গের মুখে হামলা চালিয়ে ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব নয়। অনেক স্থাপনা গভীর শিলাস্তরের নিচে থাকায় সেগুলো অত্যন্ত সুরক্ষিত বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধবিরতির পর ইরান ঘাঁটিগুলো পুনরায় সচল করতে দ্রুত মেরামত ও নির্মাণকাজ শুরু করে। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে প্রবেশপথগুলো পুনরায় চালু করা হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়কও নতুন করে নির্মাণ করা হয়।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিগুলোতে এখনো প্রায় এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রয়েছে। ফলে সীমিত হামলায় এসব অস্ত্রভান্ডার ধ্বংস করা কঠিন।

মার্কিন ও জার্মান বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির কারণে ইরান দ্রুত তার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে পারছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, ইরানের পুনর্গঠন গতি গোয়েন্দা পূর্বাভাসকেও ছাড়িয়ে গেছে।

তবে ইরানের এই পুনরুদ্ধার মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।

kalprakash.com/SS
সোমবার, ১ জুন ২০২৬
ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির ৫০টি প্রবেশপথ পুনরায় খুলল ইরান, সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ লাইভে এসে যা জানালেন মেয়র প্রার্থী ভিপি শাহীন!

ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির ৫০টি প্রবেশপথ পুনরায় খুলল ইরান, সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

প্রকাশিত: ০১:৫৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর প্রবেশপথ পুনরুদ্ধার করে ইরান আবারও তার সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে দেশটি ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের লক্ষ্যবস্তুতে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের ১৮টি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় মোট ৬৯টি প্রবেশপথ ক্ষতিগ্রস্ত বা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এর মধ্যে অন্তত ৫০টি প্রবেশপথ ইতোমধ্যেই পুনরায় খুলে ফেলেছে ইরান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলার সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ ধ্বংস এবং সংযোগ সড়কগুলো অকার্যকর করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম সীমিত করার চেষ্টা চালায়। তবে বুলডোজার ও ডাম্প ট্রাকসহ সাধারণ নির্মাণযন্ত্র ব্যবহার করে ইরান দ্রুত এসব ক্ষতি মেরামত করে নেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া দেখিয়েছে যে শুধু সুড়ঙ্গের মুখে হামলা চালিয়ে ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব নয়। অনেক স্থাপনা গভীর শিলাস্তরের নিচে থাকায় সেগুলো অত্যন্ত সুরক্ষিত বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুদ্ধবিরতির পর ইরান ঘাঁটিগুলো পুনরায় সচল করতে দ্রুত মেরামত ও নির্মাণকাজ শুরু করে। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে প্রবেশপথগুলো পুনরায় চালু করা হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়কও নতুন করে নির্মাণ করা হয়।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিগুলোতে এখনো প্রায় এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রয়েছে। ফলে সীমিত হামলায় এসব অস্ত্রভান্ডার ধ্বংস করা কঠিন।

মার্কিন ও জার্মান বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির কারণে ইরান দ্রুত তার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে পারছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, ইরানের পুনর্গঠন গতি গোয়েন্দা পূর্বাভাসকেও ছাড়িয়ে গেছে।

তবে ইরানের এই পুনরুদ্ধার মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।

kalprakash.com/SS
সোমবার, ১ জুন ২০২৬
ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির ৫০টি প্রবেশপথ পুনরায় খুলল ইরান, সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ