বাংলাদেশ ০১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo তেল সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা, সতর্ক করল আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাংক Logo দুই দিনে ২৩ হাজার ৭৯১ টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএসসিসি Logo ২০২৬ বিশ্বকাপ ঘিরে কানাডার মেগা প্রস্তুতি, স্লোগান ‘কানাডা ওয়েলকামস দ্য ওয়ার্ল্ড’ Logo ব্রিজ আছে, রাস্তা নাই, চার বছর ধরে অপেক্ষায় এলাকাবাসী  Logo নতুন পে স্কেলে গ্রেডভিত্তিক বেতনবৈষম্য কমানোর উদ্যোগ Logo জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী Logo বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন উদ্যোগের প্রশংসা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ সারজিস আলমের Logo ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে পোল্যান্ড Logo রান্না করা গরুর মাংস উচ্চমানের পুষ্টিকর খাদ্য: মার্কিন গবেষণা Logo ইরানে গোপন হামলায় জড়িত ছিল আরব আমিরাত: মার্কিন প্রতিবেদন

নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন শহীদ জিয়া: রাষ্ট্রপতি

সংগৃহীত ছবি

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম, সততা ও উন্নয়ন দর্শন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে ও নির্মোহ জীবন, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং বাস্তববাদী রাষ্ট্রনায়কসুলভ ব্যক্তিত্ব জনগণের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, শহীদ জিয়ার কর্মময় জীবন, অগাধ দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা, স্বনির্ভর উন্নয়নের চিন্তা এবং জীবনাদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে শহীদ হন জিয়াউর রহমান। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এই বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জিয়াউর রহমান পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তাঁর সেই আহ্বান ও স্বাধীনতার ঘোষণা সমগ্র জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নেন।

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধি, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তাঁর ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচিকে একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় জিয়াউর রহমান ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশ পরিচালনার জন্য তুলনামূলক স্বল্প সময় পেলেও গভীর দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়েছিলেন, যা আজও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

kalprakash.com/SS

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন শহীদ জিয়া: রাষ্ট্রপতি
জনপ্রিয় সংবাদ

তেল সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা, সতর্ক করল আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাংক

নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন শহীদ জিয়া: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত: ১০:৫৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম, সততা ও উন্নয়ন দর্শন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমানের সাদাসিধে ও নির্মোহ জীবন, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, প্রশ্নাতীত সততা এবং বাস্তববাদী রাষ্ট্রনায়কসুলভ ব্যক্তিত্ব জনগণের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, শহীদ জিয়ার কর্মময় জীবন, অগাধ দেশপ্রেম, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় অটলতা, স্বনির্ভর উন্নয়নের চিন্তা এবং জীবনাদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে শহীদ হন জিয়াউর রহমান। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এই বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জিয়াউর রহমান পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তাঁর সেই আহ্বান ও স্বাধীনতার ঘোষণা সমগ্র জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নেন।

দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধি, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তাঁর ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচিকে একটি উৎপাদনমুখী ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় জিয়াউর রহমান ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশ পরিচালনার জন্য তুলনামূলক স্বল্প সময় পেলেও গভীর দেশপ্রেম, ন্যায়পরায়ণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়েছিলেন, যা আজও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

kalprakash.com/SS

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন শহীদ জিয়া: রাষ্ট্রপতি